
শেষ আপডেট: 19 June 2022 11:51
দ্য ওয়াল ব্যুরো: চলন্ত অবস্থায় গাড়িতে এক যুবককে টানতে টানতে, ছেঁচড়ে প্রায় এক কিলোমিটার দূর পর্যন্ত নিয়ে গেল একটি গাড়ি। তাতে আবার পুলিশের স্টিকার লাগানো। প্রাণে বাঁচতে ওই গাড়ির বনেটের উপরেই কোনও মতে কিছুক্ষণ আটকে ছিলেন ওই যুবক। ওই অবস্থাতেই এবং পুরো ঘটনাটি ক্যামেরাবন্দিও করেন তিনি। এর পরে গাড়ি থামিয়ে তাঁকে ফেলে দিল চালক!
না, এ কোনও সিনেমার দৃশ্য নয়। শুক্রবার রাতে সোদপুরের বিটি রোডে এমনটাই ঘটল রাত দশটা নাগাদ। ঘটনায় অভিযুক্ত লেক থানার এসআই সৌমেন দাস। সে মত্ত ছিল বলে অভিযোগ। তাকে গ্রেফতার করছে খড়দহ পুলিশ (Police Arrested)।
খড়দহের বাসিন্দা এমবিএ-র ছাত্র রবি সিংয়ের অভিযোগ, ওই দিন রাতে সোদপুরে বিটি রোডের উপরে একটি রেস্তোরাঁর বাইরে তিনি তাঁর গাড়িটি পার্কিং করে, খাবার অর্ডার দেন। এরই মধ্যে একটি পুলিশের স্টিকার লাগানো গাড়ি এসে তাঁর গাড়ির পিছনে ধাক্কা মারে! গাড়িটি চালাচ্ছিল লেক থানার এসআই সৌমেন দাস।
রবি সিংয়ের দাবি, তিনি ওই পুলিশের স্টিকার লাগানো গাড়িটিকে থামানোর চেষ্টা করলে গাড়িটির চালক না থামিয়ে আরও গতি বাড়িয়ে তাঁর পায়ে ধাক্কা মারে, যার ফলে রবি ওই গাড়ির বনেটের উপরে উঠে যান। এতেও গাড়ি না থামিয়ে অভিযুক্ত ব্যক্তি আরও জোরে গাড়ি চালিয়ে প্রায় এক কিলোমিটার রাস্তা ওভাবেই নিয়ে যায় তাঁকে।
এর পরে একসময়ে গাড়ি থামিয়ে রবি সিংকে ব্যাপক মারধর করে পালিয়ে যায় চালক। অভিযোগকারী যুবক রবির দাবি, তিনি যখন বনেটের ওপর বসে গাড়ি করে যাচ্ছিলেন, সেই সময় রাস্তার লোকজন ও ট্রাফিক পুলিশের কাছে চিৎকার করে সাহায্য চেয়েছিলেন তিনি। ঘটনার ভিডিও-ও করছিলেন।
অভিযোগ, তিনি পড়ে যাওয়ার অনেক পরে পুলিশ গিয়ে ওই যুবককে সোদপুর থেকে উদ্ধার করে নিয়ে আসে। খড়দহ থানায় লিখিত অভিযোগ করা হয় ওই গাড়ি চালকের বিরুদ্ধে। সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে অভিযুক্তকে গ্রেফতার খড়দহ থানার পুলিশ।
একসঙ্গে বিষ খেয়ে আত্মঘাতী কিশোর-কিশোরী! কৃষ্ণনগরে এ কী কাণ্ড