
শেষ আপডেট: 22 October 2021 10:21
একটি দীর্ঘ প্রক্রিয়ার মধ্যে দিয়ে এই কাজ সম্পন্ন করা হবে। তবে এই কাজের জন্য অবশ্যই মাথায় রাখতে হচ্ছে পরিশ্রুত জল যাতে ক্ষতিকর না হয়। সেই জন্য জলের নমুনার প্রাথমিক পরীক্ষার কাজ চলছে সিএসআইআর ও সিএমইআরআই-এর অন্দরে। দেখা হচ্ছে, যে হোস পাইপের মাধ্যমে এই জল ছাড়া হবে তার পেসারের কত লিমিট থাকবে। এছাড়াও সেই জল পরিবেশ ও রাস্তার কোনও ক্ষতি করছে কিনা তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
আরও পড়ুনঃ দলের বিক্ষুব্ধদের 'ডাণ্ডা মেরে ঠান্ডা' করার হুঁশিয়ারি দিলীপের, গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে ধুন্ধুমার বিজেপিতে
প্রথমেই স্লারি পাম্পের মাধ্যমে ড্রেন থেকে অপরিশোধিত জল তোলা হবে। তারপর সেই জল বিভিন্ন চেম্বারের মধ্যে দিয়ে প্রবাহিত করা হবে। সব চেম্বারেই ভিন্ন আকৃতির জাল বিস্তার করা থাকবে। সেই জালের মধ্যে দিয়ে যাওয়ার সময় বিভিন্ন আকৃতির আবর্জনা আটকে যাবে এক একটি চেম্বারে। তারপর সেই জলের মধ্যে রাসায়নিক পদ্ধতিতে জীবাণুবিহীন করা হবে। সেই জলকে একটি ব্যবহারের জন্য একটি আলাদা চেম্বারে রাখার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। পুনরায় সেই জল ড্রেনে পতিত হবে।
এছাড়াও আরও কিছু পদ্ধতির মাধ্যমে রাস্তা পরিষ্কারের কাজ চলে। বাঁশের সাহায্যে জমে থাকা জল পরিস্কারের কাজ বহুদিন ধরেই চলছে ভারতে। ভ্যাকুয়ামের ব্যবহার করেও জল পরিস্কার করার কাজ চলে। সাম্প্রতিককালে দেখা গেছে, গাড়ি থেকে নিষ্কৃত আবর্জনার ফলে এই জমা জলের কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে। এখন এটাই দেখার সিএসআইআর ও সিএমইআরআই এই নতুন টেকনোলজি কতটা কার্যকরি হয়।
পড়ুন দ্য ওয়ালের সাহিত্য পত্রিকা 'সুখপাঠ'