দ্য ওয়াল ব্যুরো: লকডাউনে বেসরকারি স্কুলগুলোর ফি নিয়ন্ত্রণে আগেই উদ্যোগী হয়েছিল রাজ্য স্কুল শিক্ষা দফতর। বিকাশ ভবনের তরফে বুধবার সমস্ত স্কুলকে বলা হয়েছিল, অবিলম্বে স্কুলশিক্ষা কমিশনারের কাছে এই ব্যাপারে বিশদে রিপোর্ট জমা দতে হবে। এবার সোশ্যাল মিডিয়ায় এবিষয়ে কড়া নির্দেশ পোস্ট করে গুঁশিয়ারি দিলেন স্বয়ং শিক্ষামন্ত্রী।
শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় এদিন দুপুরে তাঁর ফেসবুক প্রোফাইলে লেখেন, "প্রাইভেট বিদ্যালয়গুলিকে ইতিমধ্যেই দ্বিতীয়বার জানানো হলো যে তারা ফি বৃদ্ধি এই মুহুর্তে করতে পারবে না। স্কুলের মাহিনা বাবদ টাকা না দিলে অনলাইনে শিক্ষায় যোগ দিতে না পারার সিদ্ধান্ত সঠিক নয় সবাইকেই সেই সুযোগ দিতে হবে। এ ব্যাপারে সরকারের মনোভাব যথেষ্ট কঠোর। আশা করি প্রাইভেট স্কুল গুলি সরকারের এই মনোভাব অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবেন এবং অভিভাবকদের উপর মানসিক চাপ তৈরি করা থেকে বিরত থাকবেন।"
https://www.facebook.com/partha.chatterjee.31508076/posts/264816084694769
এর আগে ৮ এপ্রিল রাতে ফি নিয়ে বেসরকারি স্কুলগুলোকে বার্তা দিয়েছিলেন মন্ত্রী। এক ভিডিও-বার্তায় তিনি জানিয়েছিলেন, পরিস্থিতি বিচার করে স্কুলগুলি যেন এখন ফি না বাড়ায়। একই সঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী জানান, এখনকার লকডাউন পরিস্থিতিতে যে সব পড়ুয়ার পরিবার স্কুলে ফি দিতে অপারগ হবে, তাদের বিষয়টি যেন মানবিক দৃষ্টির সঙ্গে বিচার করেন স্কুল কর্তৃপক্ষ।
মন্ত্রীর বার্তার পরে স্কুলশিক্ষা সচিব নির্দেশিকাও জারি করেন এবিষয়ে। সেই নির্দেশিকায় বলা হয়, লকডাউনের সময়ে স্কুলগুলিতে ফি বৃদ্ধি করা যাবে না। তবে এতে সম্ভবত খুব একড়া সাড়া দেয়নি বেসরকারি স্কুলগুলি। তাই আজ, বৃহস্পতিবার ফের বিজ্ঞপ্তি জারি করে বলা হয়েছে, স্কুলগুলোকে সতর্ক করলেও এই ব্যাপারে কাজের কাজ হয়নি।
ইতিমধ্যেই অভিভাবকদের তরফে অভিযোগ উঠেছএ, সরকারি নির্দেশ অমান্য করে বহু স্কুলই ফি বৃদ্ধি করছে। এর পরেই ফের বেসরকারি স্কুলগুলোর প্রিন্সিপালদের কড়া চিঠি দেন শিক্ষা দফতরের সচিব। এর পরেই শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় ফের ফেসবুকে জানালেন, রাজ্যের শিক্ষা দফতর এই বিষয়টা কঠোরভাবে দেখবে।
অনেক স্কুল আবার জানিয়েছে, বর্ধিত ফি না দিলে কোনও পড়ুয়াকে অনলাইনে ক্লাসে যোগ দিতে দেওয়া হবে না। মন্ত্রী জানালেন, এই ধরনের মনোভাব কোনও ভাবে মেনে নেওয়া হবে না।