
শেষ আপডেট: 1 January 2020 04:06
ন আলি ও মিরাজ রহমান। আলাউদ্দিনের বাড়ি আলিপুরদুয়ার জেলার শামুকতলায়। মিরাজ থাকে কোচবিহারের তুফানগঞ্জে। ধৃতদের মঙ্গলবার আলিপুরদুয়ার আদালতে তোলা হয়েছে।
বন দফতর জানতে পেরেছে, প্যাঙ্গোলিনটি হাতবদলের আগে কোচবিহারের মারুগঞ্জ এলাকায় কোনও এক জায়গায় রাখা হয়েছিল। জলদাপাড়া জাতীয় উদ্যানের কোদালবস্তি রেঞ্জের রেঞ্জ অফিসার ধীরেশ কামির নেতৃত্বে এই অভিযান চালানো হয় বলে জানা গেছে। ধীরেশ কামি বলেন, “আমরা গোপনসূত্রে খবর পেয়ে এই অভিযান চালিয়েছি। অসমের গৌরীপুর থেকে প্যাঙ্গোলিনটি আনা হয়েছিল। ধৃতদের বিরুদ্ধে বন্যপ্রাণ আইন অনুযায়ী কড়া ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন জানানো হয়েছে।”
জলদাপাড়া জাতীয় উদ্যান কর্তৃপক্ষ গত ছ’মাসে তিনবার প্যাঙ্গোলিন পাচারচক্রের হদিশ পেয়েছেন। কখনও জীবন্ত প্যাঙ্গোলিন আবার কখনও প্যাঙ্গোলিনের চামড়া উদ্ধার করেছে বন দফতর। জলদাপাড়া জাতীয় উদ্যান কর্তৃপক্ষের কোদাল বস্তি রেঞ্জে বার বার প্যাঙ্গোলিন উদ্ধারের সফল হয়েছে।