
শেষ আপডেট: 10 June 2023 13:35
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বামেদের সমর্থনে কংগ্রেসের প্রতীকে জিতে মাত্র তিন মাসের মধ্যে ডিগবাজি খেয়েছেন সাগরদিঘির বিধায়ক বাইরন বিশ্বাস। পঞ্চায়েত ভোটের আগে সেই বায়রন মডেল দেখাতে চাইলেন তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ। তাঁর কথায়, “অন্য প্রতীকে কেউ জিতলে তাঁর মধ্যে বাইরনের অনুভূতি সংক্রামিত হতে পারে। আর মানুষই বা অন্য চিহ্নে কেন ভোট দেবেন। তৃণমূলকে ভোট দিলে সরাসরি তৃণমূল জিতবে। অন্য চিহ্নে ভোট দিলে নির্বাচনের পর সেই প্রার্থী ঘুরে ফিরে তৃণমূলেই আসবেন। তাই অন্য চিহ্নে ভোট দিয়ে কী লাভ!”
কুণালের এই কথার মধ্যে দুটি স্পষ্ট বার্তা রয়েছে বলে অনেকে মনে করছেন। এক যাঁরা তৃণমূলের বিক্ষুব্ধ বা বিরোধী দলের প্রতীকে দাঁড়াতে চাইছেন, তাঁদের উদ্দেশে ইঙ্গিত দিয়ে রাখছেন তৃণমূল মুখপাত্র। সেই সঙ্গে সাধারণ ভোটারদের বোঝাতে চাইছেন, অন্য দলকে ভোট দিয়ে লাভ নেই। কারণ, তাঁরা ভোটের পর তৃণমূলে চলে আসবেন। তাই সরাসরি তৃণমূলকে ভোট দেওয়াই ভাল।
এ ব্যাপারে কংগ্রেস নেতা মনোজ চক্রবর্তী বলেন, বাংলায় গণতান্ত্রিক পরিবেশের যে কোনও অবশিষ্ট নেই, তা শাসক দলের এই সব কথা থেকেই পরিষ্কার। এখন সাধারণ মানুষকেও পরোক্ষে হুমকি দেওয়া শুরু হয়েছে।
বাইরন দলত্যাগের পর প্রশ্ন উঠেছিল, কেন এই পদক্ষেপ? তা কি কোনও ভয়ের কারণে নাকি অন্য কিছু। সাগরদিঘির বিধায়ক জবাবে বুঝিয়েছিলেন, প্রশাসনিক সুবিধা পেতে দলবদল করেছেন তিনি। তৃণমূলের থেকে টিকিট পাননি বলে কংগ্রেসের প্রার্থী হয়েছিলেন।
কুণাল এদিন বিরোধীদের উদ্দেশে বলেন, “এই যে ওরা এত মারামারি করছে, অর্ধেক জায়গায় প্রার্থীই খুঁজে পাবে না। তাছাড়া কোনও প্রার্থী জিতে গেলেও এই সিস্টেমটার মধ্যে কাজ করতে পারবেন না। কারণ, তাঁরা বুঝতে পারবেন কেন্দ্রের সরকার টাকা দিচ্ছে না। বাংলার সঙ্গে বঞ্চনা করছে। বরং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পরিশ্রম করে বিভিন্ন স্কিম চালু রেখেছেন। । ফলে, এরা পরিশ্রম করে এত লম্ফজম্ফ করে যদি কোনও প্রার্থীকে জেতায়ও, তাহলেও তো মনের টানে প্রার্থী তৃণমূলে যোগ দেবেন। তাই এই সব চিৎকারে লাভ নেই।
পঞ্চায়েত নির্বাচন অবাধ ও শান্তিপূর্ণ করাতেই হবে, রাজীবের সঙ্গে বৈঠকের পর রাজ্যপাল