
শেষ আপডেট: 10 July 2023 14:19
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বুধবার সকালে পঞ্চায়েত ভোটের গণনা (Panchayat Election Counting) শুরু হবে। তার আগে সব জেলাশাসক ও জেলা পঞ্চায়েত অফিসারের কাছে সুনির্দিষ্ট গাইডলাইন পাঠিয়ে দিল রাজ্য নির্বাচন কমিশন (State Election Commission)। তাতে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে, গণনা কেন্দ্রের মধ্যে কোনও পুলিশ কর্মী ঢুকতে পারবে না। একমাত্র রিটার্নিং অফিসার যদি মনে করেন যে, এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে যার জন্য পুলিশ দরকার, তবই সশস্ত্র পুলিশ গণনা কেন্দ্রের মধ্যে ঢুকতে পারবেন।
কমিশন জানিয়েছে, স্ট্রং রুম থেকে ব্যালট বাক্স গণনা কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়ার জন্য পারলে একটি করিডর বানাতে হবে। যাতে বিনা বাধায় মসৃণ ভাবে ব্যালট বাক্স গণনা কেন্দ্রে আনা যায়। ওই করিডরে কোনও বাইরের লোক বা মিডিয়াকে ঢুকতে দেওয়া যাবে না।
তা ছাড়া প্রতিটি গণনা কেন্দ্রে মিডিয়ার জন্য লক্ষ্ণণরেখা টেনে দেওয়া হবে। গণনা কেন্দ্রের চারপাশে নিরাপত্তার তিনটি বলয় থাকবে। প্রথম বলয় পেরিয়ে মিডিয়া কর্মীরা দ্বিতীয় বলয়ের কাছে যেতে পারবেন, কিন্তু কতদূর পর্যন্ত তাঁরা যেতে পারবেন তা রিটার্নিং অফিসার বলে দেবেন। রিটার্নিং অফিসার চাইলে গণনা কেন্দ্রের মধ্যে একবার মিডিয়া কর্মীদের ডেকে ফটো তুলতে দিতে পারেন। কিন্তু কোনও অবস্থাতেই ব্যালটে দেওয়া ছাপ্পা বা কাউন্টিংয়ের পরিসংখ্যানের ছবি তোলা যাবে না।
গণনা কেন্দ্রের মধ্যে মোবাইল, ট্যাব বা আই-প্যাড নিয়েও ঢোকা যাবে না। গণনা কেন্দ্রের মধ্যে কমিউনিকেশন ও মিডিয়া রুম থাকবে। কাউকে ফোন করতে গেলে সেখানে গিয়েই করতে হবে।
বুধবার গণনার জন্য বিপুল পরিমাণ পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। থাকছে কেন্দ্রীয় আধা সামরিক বাহিনীও। এদিন দুপুরে সমস্ত জেলাশাসক, পুলিশ সুপার ও জেলা পঞ্চায়েত অফিসারদের রাজ্য নির্বাচন কমিশনের তরফে টেক্সট মেসেজ করে বলা হয়েছে, কোন গণনা কেন্দ্রে কীভাবে কত বাহিনী মোতায়েন করা হচ্ছে তা বুধবার সকালের মধ্যে জানাতে হবে। কারণ, বুধবার এ ব্যাপারে কলকাতা হাইকোর্ট রিপোর্ট চাইতে পারে।
পঞ্চায়েত ভোটের দিন বহু বুথে ক্লোজড সার্কিট ক্যামেরা ছিল না বলে অভিযোগ করেছেন বিরোধীরা। কমিশন এদিন স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছে, গণনাকেন্দ্রে সিসিটিভই ক্যামেরা বাধ্যতামূলক ভাবে থাকতে হবে। ওই ক্যামেরার ফুটেজ সুরক্ষিত রাখতে হবে।
গণনায় কারচুপির 'খেলা' শুরু? কমিশনের এই বিজ্ঞপ্তি জেলায় পৌঁছতেই সমস্বরে অভিযোগ বিরোধীদের