
শেষ আপডেট: 22 August 2020 15:12
দিনের-পর-দিন এই যুগল ষাঁড়ের আক্রমণে ভয় এতটাই বেড়েছে, যে বর্তমানে কার্যত ঘরবন্দি হয়ে রয়েছেন ওই এলাকার মানুষ। আতঙ্কে রাতের ঘুম উড়ে গেছে স্থানীয় বাসিন্দাদের। খুব প্রয়োজন না পড়লে কেউই সচরাচর বাড়ির বাইরে বেরোচ্ছেন না।
বাসিন্দাদের অভিযোগ, ষাঁড়েদের এই তাণ্ডবের ব্যাপারে স্থানীয় গ্রামপঞ্চায়েত সদস্য থেকে শুরু করে পঞ্চায়েত-প্রধান সকলকেই বারবার জানানো হয়েছিল। তারা বিষয়টি খতিয়ে দেখার আশ্বাসও দিয়েছিলেন। কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হয়নি। এর পাশাপাশি বনদফতরেও খবর দেওয়া হয়েছে। কিন্তু তারাও বিষয়টি নিয়ে কোনও হেলদোল করছেন না বলে অভিযোগ। অবশেষে নিরুপায় হয়ে গ্রামবাসীরা নিজেরাই বহু চেষ্টার পর কোনও রকমে একটি ষাঁড়কে বেঁধে ফেলেন। কিন্তু অপর ষাঁড়টি এখনো সাক্ষাৎ যমদূতের মতো ঘুরে বেড়াচ্ছে এলাকায়। তাকে আটকানো সম্ভব হয়নি এখনও।
গ্রামের রাস্তা দিয়ে সবসময় ছোটো ছোটো বাচ্চারা যাওয়া আসা করে। সেইসব শিশুদের নিরাপত্তার কথা ভেবেও চিন্তিত স্থানীয়রা। ওই ষাঁড়গুলিকে বন-দফতর থেকে ধরে নিয়ে না যাওয়া পর্যন্ত বাসিন্দাদের ভয় কাটছে না। যখন-তখন বড়োসড়ো বিপদ ঘটার সম্ভাবনা রয়েছে বলেও আশঙ্কা করছেন গ্রামবাসীরা। তারা চাইছেন, যত দ্রুত সম্ভব বন দফতর থেকে ওই ষাঁড় দুটিকে উদ্ধার করে অন্যত্র নিয়ে যাক।
টানা পাঁচমাস বন্দীদশা কাটিয়ে রাজ্যের মানুষ যখন বাড়ির বাইরে বেরোনোর জন্য ছটফট করছে, তখনই সম্পূর্ণ উলটো ছবি দেখল নদিয়া। বাইরে বেরোনো দূর, ষাঁড়ের ভয়ে স্বেচ্ছায় গৃহবন্দি জীবন কাটাচ্ছেন তাহেরপুরবাসীর একাংশ।