ওভারলোডিংয়ের অভিযোগে দু মাসে ১২ কোটি টাকা জরিমানা আদায় রাজ্যে
দ্য ওয়াল ব্যুরোঃ গাড়ির ওভারলোডিং (overloading) সমস্যার সমাধানে তৎপর নবান্ন (nabanna)। মঙ্গলবার সকালে মুখ্যসচিব জেলাশাসকদের এ ব্যাপারে পদক্ষেপের নির্দেশ দিয়েছেন। জানা গেছে গত দু’মাস ধরে ওভারলোডিং নিয়ে জেলায় জেলায় কড়া নজরদারি চালানো হয়েছে। স
শেষ আপডেট: 31 August 2021 12:58
দ্য ওয়াল ব্যুরোঃ গাড়ির ওভারলোডিং (overloading) সমস্যার সমাধানে তৎপর নবান্ন (nabanna)। মঙ্গলবার সকালে মুখ্যসচিব জেলাশাসকদের এ ব্যাপারে পদক্ষেপের নির্দেশ দিয়েছেন। জানা গেছে গত দু’মাস ধরে ওভারলোডিং নিয়ে জেলায় জেলায় কড়া নজরদারি চালানো হয়েছে। সরকারি নির্দেশ না মানা গাড়িকে শাস্তির মুখেও পড়তে হয়েছে।
সূত্রের খবর, ওভারলোডিং নিয়ে শুধুমাত্র অগস্ট মাসেই গোটা রাজ্যে পঞ্চাশ হাজারের বেশি গাড়ি চেকিং করা হয়েছে। সরকারি হিসেব অনুযায়ী সংখ্যাটা ৫২ হাজার ৩৭৩। এদের মধ্যে মোট ২ হাজার ৪৮৩টি গাড়িকে ওভারলোডিংয়ের অভিযোগে ধরা হয়েছে। তাদের কাছ থেকে ২০ হাজার টাকা করে জরিমানাও আদায় করেছে পুলিশ।
আরও পড়ুনঃ দুয়ারে সরকার ক্যাম্পে ভ্যাকসিনের আয়োজন, ধূপগুড়িতে পদপিষ্ট অনেকে
বলা হয়েছে, এই সমস্ত গাড়ি যদি দ্বিতীয়বার ওভারলোডিংয়ের অভিযোগে ধরা পড়ে, তবে তাদের জরিমানার পরিমাণ হয়ে যাবে দ্বিগুণ। অর্থাৎ ৪০ হাজার টাকা করে জরিমানা দিতে হবে পুলিশকে। আর তার পরেও যদি এই সব গাড়ি ওভারলোডিং করে তবে তাদের পারমিট বাতিল করবে সরকার।
একই তৎপরতা দেখা গিয়েছিল জুলাই মাসেও। সেসময় প্রায় ৪৮ হাজার গাড়ি চেকিং করা হয়েছিল। তার মধ্যে ৩ হাজার ৭০০ গাড়ি ওভারলোডিংয়ে ধরা পড়েছিল। সেই তুলনায় এই মাসের ওভারলোডিং অপেক্ষাকৃত কম। এতেই আশার আলো দেখছেন নবান্নের আধিকারিকরা। মনে করা হচ্ছে কড়া নজরদারি আর শাস্তিতে ওভারলোডিং কমছে।
পরিবহণ দফতরের এক আধিকারিকের দাবি, গত দু’মাসে পুলিশের সহযোগিতায়, রাজ্য সরকারের তৎপরতায় প্রায় ৩৫ শ্তাংশ ওভারলোডিং কমে গিয়েছে। তাঁর আরও দাবি, এভাবে চলতে থাকলে আগামী দিনে রাজ্যে ওভারলোডিং পুরোপুরি কমে যাবে।
ওভারলোডিং নিয়ে সরকারের সমস্যা অনেক। বর্ষায় ওভারলোডিং নিয়ে সমস্যা লেগেই আছে। এ প্রসঙ্গে রাজ্যের পরিবহণ মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম আগেও যথেষ্ট উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেছিলেন, বর্ষায় রাস্তা খারাপ হচ্ছে, তার অন্যতম কারণ ওভারলোডিং। অবিলম্বে এটা বন্ধ করতে হবে। এর জন্য নজরদারি বাড়ানো ও প্রশাসনিক তৎপরতায় জোর দিতে হবে। বস্তুত, ওভারলোডিং নিয়ে তৎপর হয়ে এক ঢিলে দুই পাখি মারতে চাইছে সরকার। কারণ ওভারলোডিং-এর ফলে একদিকে রাস্তাঘাট খারাপ হয়। তা সারাতে সরকারের বাড়তি খরচ হয়।
তাছাড়া, এর ফলে সরকারের প্রচুর রাজস্ব ক্ষতিও হয়ে থাকে। ওভারলোডিংকে নিশানা করে তাই একসঙ্গে দুই কাজ করে ফেলতে তৎপর সরকার।
পড়ুন দ্য ওয়ালের সাহিত্য পত্রিকা 'সুখপাঠ'