
শেষ আপডেট: 6 December 2019 11:19
পুলিশ ওই গাড়িটি তল্লাশি করতে শুরু করে। শেষে গাড়ির হুডের নীচে প্যাকেটে করে প্রচুর পরিমাণে আফিম ও ব্রাউন সুগার উদ্ধার করে। পুলিশ জানিয়েছে, ওই পণ্যবাহী গাড়ি থেকে মোট ৫২ কেজি আফিম ও এক কেজি ব্রাউন সুগার উদ্ধার করা হয়েছে। গাড়িটি অসম থেকে রাজস্থানে যাচ্ছিল।
জলপাইগুড়ির কোতোয়ালি থানার আইসি বিশ্বাশ্রয় সরকার বলেন, “খবর পেয়ে আমরা আগে থেকেই তিস্তা ব্রিজের কাছে ওৎ পেতে ছিলাম, কিন্তু গাড়িটি গতি বাড়িয়ে বেরিয়ে যায়। আমরাও পিছু নিই। পরে গোশালা মোড়ের কাছে গিয়ে দেখি গাড়িটি ফেলে রেখে পালিয়েছে চালক ও খালাসি। আমরা তল্লাশি শুরু করি।” জলপাইগুড়ি জেলায় গত তিন মাসে বেশ কয়েক কোটি টাকার মাদক উদ্ধার হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে মূলত গাঁজা, আফিম ও ইয়াবা ট্যাবলেট।
ইয়াবা ট্যাবলেট আসে প্রধানত মায়ানমার থেকে। উজান অসমের বিভিন্ন জায়গায় গোপনে চাষ হয় আফিমের। গাঁজা চাষ হয় মূলত কোচবিহারে, কিছুটা হয় জলপাইগুড়িতেও। এইসব চাষ হয় গোপনে। জলঢাকা নদীর কাছে এর আগে বহু বার গোপনে গাঁজা চাষের খবর পেয়ে তা নষ্ট করেছে পুলিশ। অনেক সময় দেখা গেছে নদীর চর দখল করে চলছে গাঁজার চাষ। পুলিশ তখন সে সব পুড়িয়েও দিয়েছে। এই সব মাদক পাচার হয় জলপাইগুড়ি হয়ে শিলিগুড়ি দিয়ে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বিভিন্ন চক্র পাচারের জন্য ৩১ নম্বর জাতীয় সড়ক ব্যবহার করে থাকে।