দ্য ওয়াল ব্যুরো: দুই ছেলে আর বৌমার হাতে বেধড়ক মার খেয়ে প্রতিকার চেয়ে থানার দ্বারস্থ হলেন বছর পঁয়ষট্টির এক বৃদ্ধা। ঘটনাটি ঘটেছে ক্যানিং থানার আন্ধারিয়া গ্রামে।বৃদ্ধা ইতিমধ্যে ক্যানিং থানায় দুই ছেলে ও ছোট ছেলের স্ত্রীর নামে অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগ পেয়ে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ক্যানিং থানার অন্তর্গত আন্ধারিয়া গ্রামে বসবাস করেন পঁয়ষট্টি বছর বয়স্কা বৃদ্ধা মালতি সরদার। তাঁর স্বামী পেশায় মাছ ব্যবসায়ী দুখিরাম সরদার প্রায় তিন বছর আগে মারা যায়। স্বামী মারা যাওয়ার পর থেকে বৃদ্ধার তিন ছেলের পরিবার পৃথক হয়ে যায়। কোনও ছেলে দেখভাল না করায় বৃদ্ধা একাই হাঁস-মুরগি চাষ করে দিন গুজরান করেন। অভিযোগ, স্বামী মারা যাওয়ার পর থেকেই মেজো ছেলে ও ছোট ছেলে ও ছোট ছেলের স্ত্রী প্রতিনিয়ত নানান অছিলায় তাঁকে মারধর করে। সবকিছু মুখ বুজে সহ্য করতেন মালতীদেবী।
সোমবার সকালে আবারও বৃদ্ধা মাকে মারধর করে মেজো ছেলে সুখদেব, ছোট ছেলে জয়দেব ও তার স্ত্রী মাম্পি সরদার। এরপরই ধৈর্য্যের বাঁধ ভাঙে বৃদ্ধার। কাঁদতে কাঁদতে সোজা ক্যানিং থানায় হাজির হন তিনি। সেখানে কর্তব্যরত পুলিশের কাছে সমস্ত ঘটনার কথা খুলে বলেন। পরে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন দুই ছেলে ও বৌ’মার নামে।
অভিযোগ পেয়েই ঘটনার তদন্ত শুরু করে ক্যানিং থানার পুলিশ। যদিও অভিযুক্তদের আটক কিংবা গ্রেফতার করা হয়নি এখনও।