
শেষ আপডেট: 22 April 2024 18:42
দ্য ওয়াল ব্যুরো, জলপাইগুড়ি: স্কুলে পটি করে ফেলেছিল। এরপরেই নার্জারির এক পড়ুয়াকে প্য়ান্ট না পরিয়েই বাড়ি পাঠিয়ে দিল স্কুল কর্তৃপক্ষ। বেসরকারি স্কুলের এমন ঘটনা সামনে আসতেই ক্ষোভে ফেটে পড়লেন অভিভাবকরা। বেলাকোবা এলাকায় তুমুল শোরগোল পড়ে যায়।
জলপাইগুড়ি বেলাকোবা এলাকায় পল্লীমঙ্গল শিশু বিদ্যাতীর্থ নামে ওই বেসরকারি স্কুল। জানা গেছে সোমবার স্কুলের নার্সারির এক পড়ুয়া স্কুলে পটি করে। অভিযোগ, প্যান্ট না থাকায় এরপরই ওই পড়ুয়াকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা প্যান্ট ছাড়া স্কুলে দাঁড় করিয়ে রাখা হয়। ছুটির সময় শুধু জামা পরিয়েই স্কুল থেকে ছেড়ে করে দেওয়া হয়।
এই ঘটনা কানে যেতেই স্কুলের সামনে বিক্ষোভ শুরু করেন অভিভাবকরা। তাঁদের বক্তব্য কেন স্কুলে বাচ্চাদের জন্য কোনও পোশাক রাখা হবে না? কেন প্যান্ট নষ্ট হয়ে যাওয়ায় শিশুটিকে ওই অবস্থাতেই ফেরত পাঠানো হবে! শিশুটি যদি মানসিকভাবে আঘাত পায়, তার দায় কে নেবে? স্কুলের সামনে শুরু হয় তুমুল বিক্ষোভ। শিশুটি যে পুলকারে স্কুলে আসে তার চালক বিষ্ণু রায় জানান, কর্তৃপক্ষ তাঁকে জানালে, তিনিও বাড়ি থেকে প্যান্ট এনে দিতে পারতেন। কিন্ত কখনই তাকে এভাবে বাড়ি পাঠানো উচিৎ হয়নি।
তুমুল বিক্ষোভের মুখে ভুল স্বীকার করে নেন প্রধান শিক্ষিকা মিতালী দত্ত মণ্ডল। কিন্তু তাঁর দাবি, স্কুলে ছোটদের জন্য প্রায় ৫০ টি জামা-প্যান্ট রেখেছিলেন তাঁরা। দরকারে এই পোশাক পরিয়ে বহুবার শিশুদের বাড়ি পাঠানো হয়েছে। কিন্তু অভিভাবকরা আর সেই পোশাক স্কুলে ফেরত পাঠাননি। তিনি বলেন,"বারবার আমরা পোশাক ফেরত চেয়েছি। কিন্তু কেউ ফেরত পাঠায়নি। আমরা ছোটদের বইয়ের সঙ্গে একসেট জামাকাপড় পাঠানোর ও অনুরোধ করেছি। সেটাও কেউ দেয় না। এই পরিস্থিতিতেই আজ এতবড় ভুল হল।"
পরবর্তীতে এরকম ঘটনা যাতে না ঘটে সেই বিষয়ে আশ্বাস দেন তিনি। তারপরেই অভিভাবকদের বিক্ষোভ স্তিমিত হয়।