
শেষ আপডেট: 14 November 2019 14:13
এনিয়ে রাজ্যপালের বিরুদ্ধে চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী হেলিকপ্টার নিয়ে বুলবুল বিধ্বস্ত এলাকায় গিয়েছিলেন। আমরা জানতে চাই রাজ্যপালের কেন হেলিকপ্টার লাগবে? এটা তো মানুষের টাকা!” এখানেই থামেননি রাজ্যের স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, “রাজ্যপাল যতটা না রাজ্যপালের কাজ করছেন তার চেয়ে বেশি রাজনৈতিক নেতা হিসেবে কাজ করছেন। এটা অত্যন্ত দুঃখজনক।” তাঁর কথায়, “উনি যখন যেখানে ইচ্ছে চলে যাচ্ছেন। সিঙ্গুরে বিডিও অফিসে গিয়ে বসে পড়লেন। এটা তাঁর এক্তিয়ারের মধ্যে পড়ে কিনা সেটাও রাজ্যের মানুষ জানতে চান।”
এদিন দুপুরেই নবান্নে সাংবাদিক বৈঠক শেষে বাংলার রাজ্যপালকে নাম না করে ‘বিজেপির মাউথপিস’ বলে কটাক্ষ করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মহারাষ্ট্রের রাজনৈতিক সংকট নিয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে মমতা বলেন, “আমি সাংবিধানিক পদ নিয়ে মন্তব্য করি না। কিন্তু কেউ কেউ ওই পদে থেকে বিজেপির মাউথপিস হিসেবে কাজ করছেন। আমার রাজ্যেও সেটা দেখতে পাচ্ছি।”
রাজ্যপালের দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে গত তিন মাসে একাধিক ইস্যুতে সংঘাত হয়েছে রাজ্যের সাংবিধানিক প্রধান ও নবান্নের। এমনকি দুর্গাপুজোর কার্নিভাল নিয়েও সরকারের বিরুদ্ধে তোপ দেগেছিলেন ধনকড়। বলেছিলেন, “আলাদা মঞ্চে বসিয়ে আমায় কোণঠাসা করে রাখা হয়েছিল।” আর এদিন নতুন সংঘাত হেলিকপ্টার ইস্যুতে।
চন্দ্রিমার বক্তব্যের পাল্টা জবাব রাজভবন আর দেয়নি। তবে বিজেপি মুখপাত্র সায়ন্তন বসু বলেন, সরকারি কর্মসূচির নামে হেলিকপ্টার নিয়ে রাজ্যের মন্ত্রীরা যখন এদিক ওদিক রাজনৈতিক কাজ করে বেড়ান তার বেলা? তাঁর কথায়, রাজভবনের সঙ্গে গোড়া থেকেই অসহযোগিতা করছে নবান্ন এবং তা স্রেফ রাজনৈতিক কারণে। রাজ্যপালের একমাত্র অপরাধ হল যে তিনি বলে ফেলেছেন, বাংলায় আইনশৃঙ্খলা বলে কিছু নেই। সবকিছুই রাজনৈতিক দৃষ্টিতে দেখছে সরকার।