দ্য ওয়াল ব্যুরো: মোবাইল চুরির তদন্তে নেমে বড় সাফল্য মিলল শিলিগুড়ি মেট্রোপলিটন পুলিশের। উদ্ধার করা হল বহু চোরাই মোবাইল, ল্যাপটপ। অন্য একটি ঘটনায় উদ্ধার করা হয়েছে আগ্নেয়াস্ত্র ও কার্তুজ।
পুলিশ জানিয়েছে, দু'টি মামলায় তাদের জালে ধরা পড়েছে মোট চার জন। তাদের মধ্যে রয়েছে মোবাইল চুরির দুই পান্ডাও। তাদের ধরার পরে জেরা করে পুলিশের কাছে এসেছে আরও কিছু তথ্য। সে সবের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করেছে নিউ জলপাইগুড়ি থানার পুলিশ।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, এই থানা এলাকার ইস্টার্ন বাইপাস সংলগ্ন একটি মোবাইল দোকানেই কয়েক দিন আগে চুরি হয়। ওই চুরির তদন্তে নেমে পুলিশ বানারহাট থেকে গত ২৯ জানুয়ারি রাজা রায় নামে এক দুষ্কৃতীকে গ্রেপ্তার করে। ধৃত ওই দুষ্কৃতীকে জিজ্ঞাসাবাদ করে আরও দুই দুষ্কৃতীর নাম পায়। তারা হল দীপ্তিকান্ত মিশ্র ও অর্জুন সাহানি। তাদের খোঁজে তল্লাশি শুরু করে পুলিশ।
কিন্তু খবর অনুযায়ী বেশ কয়েক বার হানা দিলেও কোনও না কোনও ভাবে পালিয়ে যায় তারা। শেষমেশ সোমবার রাতে মেলে সাফল্য। ধৃতরা পুলিশের জেরায় জানিয়েছে, চুরি করা মোবাইল ফোন বিভিন্ন জায়গায় বিক্রি করে দিয়েছে তারা। এর পরে ধৃতদের আদালতে তুলে পুনরায় পুলিশ হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে মোবাইলের দোকান থেকে চুরি যাওয়া বাকি মোবাইল উদ্ধারের তদন্তে নামে। এর পরেই চুরি যাওয়া ৭টি মোবাইল উদ্ধার করে।
মোবাইলের পাশাপাশি উদ্ধার করা হয়েছে একটি এলইডি টিভি, ল্যাপটপ। ধৃতদের ৫ দিনের রিমান্ড শেষ হলে রবিবার জলপাইগুড়ি আদালতে পাঠানো হয়।
এনজেপি থানায় সাংবাদিক বৈঠক করে এসিপি ইস্ট সুরিন্দর সিং এই অভিযানের কথা জানান। পাশাপাশি তিনি বলেন, "নিউ জলপাইগুড়ি থানার পুলিশ শনিবার রাতে ফুলবাড়ি এলাকায় নাকা তল্লাশি করার সময় মিঠুন বর্মন নামে এক যুবককে গ্রেফতার করে। ধৃতের কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে একটি অত্যাধুনিক আগ্নেয়াস্ত্র ও তিন রাউন্ড কার্তুজ। ধৃতের বাড়ি ডুয়ার্সের বীরপাড়া। ধৃত ওই যুবক আগ্নেয়াস্ত্র এবং কার্তুজ নিয়ে শিলিগুড়ি শহরে কোন অপরাধ করতে এসেছিল বলেই সন্দেহ। বাকিটা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।"