
শেষ আপডেট: 5 September 2019 04:52
প্রসঙ্গত, ১৯৮৮ সালের মোটর ভেহিকেলস আইন সংশোধন করে এ বছর নতুন আইন প্রনয়ণ করেছে কেন্দ্রে নরেন্দ্র মোদী সরকার। পুরনো আইন মোতাবেক যে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘন করলে যে পরিমাণ জরিমানা করা হত, তা এখন বহুগুণে বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। যেমন মোবাইল ফোনে কথা বলতে বলতে গাড়ি চালালে জরিমানা এক হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে পাঁচ হাজার টাকা করা হয়েছে। ইমার্জেন্সি গাড়িকে রাস্তা না ছাড়লে ৫ হাজার টাকা জরিমানা গুণতে হবে। মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালালে ফাইন হবে দশ হাজার টাকা। হেলমেট ছাড়া মোটরবাইক চালালে আগের একশ টাকার পরিবর্তে এখন ১ হাজার টাকা জরিমানা দিতে হবে।
https://twitter.com/ajitanjum/status/1169266833184051200
দিল্লি পুলিশের নতুন নির্দেশ অনুযায়ী, পুলিশ ট্রাফিক আইন ভাঙলে এই সব জরিমানা অঙ্কের দ্বিগুণ ফাইন দিতে হবে। অর্থাৎ দিল্লিতে কোনও পুলিশ কর্মী কর্তব্যরত অবস্থায় হোক বা ব্যক্তিগত কাজে- হেলমেট ছাড়া মোটরবাইক চালিয়ে ধরা পড়লে তাঁর ২ হাজার টাকা জরিমানা হবে।
দিল্লি পুলিশ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের অধীনে। দিল্লি সরকারের অধীনে নয়। ফলে অনেকে মনে করছেন, এই নিয়ম অচিরে বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলিতেও চালু হবে।
প্রশ্ন হল, কলকাতা পুলিশ বা পশ্চিমবঙ্গ পুলিশও কি এই পথ অনুসরণ করবে?
এ প্রশ্নের জবাবে কলকাতার পুলিশ কমিশনার অনুজ শর্মা বলেন, “আইনে কী বলা রয়েছে তা আগে দেখতে হবে।” এর অতিরিক্ত তিনি কিছু বলতে চাননি।
এমনিতে বাংলায় পথ দুর্ঘটনা কমানোর জন্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকার গত তিন বছরে ধরে সেফ ড্রাইভ সেভ লাইফ ক্যাম্পেন চালাচ্ছে। তাতে দুর্ঘটনার সংখ্যা আগের থেকে কমেছে বলেই সরকারের দাবি। তবে ট্রাফিক আইন ভাঙার নামে পুলিশি জুলুমের ব্যাপারেও মুখ্যমন্ত্রী চটে রয়েছেন। জরিমানা দিতে গিয়ে সাধারণ মানুষ যাতে জেরবার না হন সে ব্যাপারে খেয়াল রাখার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। এখন পুলিশের জরিমানা তিনি বাড়াতে সম্মতি দেন কি না, সেটাও দেখার!