
শেষ আপডেট: 1 June 2019 11:48
বিশ্ব হিন্দু পরিষদের দুর্গাবাহিনী [/caption]
দিদির নির্দেশ, বঙ্গ জননীর একেকটি বাহিনীতে কুড়ি জন করে মহিলা থাকবেন। শুক্রবার কালীঘাটের বাড়িতে বৈঠক ডেকে মমতা এও ঘোষণা করেন, ওই বাহিনীর দায়িত্বে থাকবেন বারাসতের দাপুটে সাংসদ কাকলি ঘোষদস্তিদার।
শান্তিনিকেতনী ডান্ডা জিনিসটা কী তা জানতে শনিবার যোগাযোগ করা হয়েছিল কাকলিদেবীর সঙ্গে। কিন্তু প্রশ্ন শুনে ‘বঙ্গজননী’র প্রধানই জবাব এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। তিনি বলেন, "আপনি কী বলছেন আমি বুঝতে পারছি না।" তাঁকে বুঝিয়ে বলা হয়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তো বলেছেন যে, বাহিনীর সব মহিলাদের হাতে থাকবে ‘শান্তিনিকেতনী ডান্ডা’। তো এই জিনিস্টা ঠিক কেমন? কাকলি দেবী জবাবে বলেন, “আমি পরে কথা বলব। রাখছি।”
কাকলিদেবীর থেকে সদুত্তর না পেয়ে শান্তুনিকেতনী ডাণ্ডার খোঁজ করা হয়েছিল খোদ শান্তিনিকেতনে। কিন্তু বিশ্বভারতী বা শান্তিনিকেতনের কেউ সেটির হদিশ দিতে পারেননি। এ ব্যাপারে জানতে চাওয়া হলে শান্তিনিকেতনের আশ্রমিক তথা বিশ্বাভারতীর বাংলার প্রাক্তন অধ্যাপিকা আলপনা রায় বলেন, “শান্তিনিকেতনী কাঁথা হয় জানি। আলপনা হয় তাও জানি। শান্তিনিকেতনী ডান্ডা হয় বলে শুনিনি।” তাঁর কথায়, “দোলের সময়ে যে লাঠি নাচের সময়ে ব্যবহার করা হয়, সেটা গুজরাতি গরবা থেকে এসেছে। এর আগে বিশ্বভারতীর ভিতর মারপিটের সময় হকিস্টিকের ব্যবহার হতেও দেখেছি। কিন্তু ডান্ডা দেখিনি।”
আবার বিশ্বভারতীর বাংলার অধ্যাপক মানবেন্দ্র মুখোপাধ্যায় বলেন, “শান্তিনিকেতনী ডান্ডা বলে কিছু হয় না। শান্তিনিকেতনের সঙ্গে ডাণ্ডার কোনও সম্পর্ক নেই।” তিনি আরও বলেন, “ভুবনডাঙায় দেশের বিভিন্ন প্রান্তের জিনিস বিক্রি হয়। সেখানকার দোকানদাররা শান্তিনিকেতনী ছড়ি বলেন। কিন্তু ডান্ডা আমি শুনিনি।”
তা হলে? তৃণমূলের এক নেতা মজা করে বলেন, শান্তিনিকেতন হল বীরভূমে। সেখানে তৃণমূলের বীর সন্তান হলেন অনুব্রত মণ্ডল। এ বার ভোটের আগে উনি পাচনের আমদানি করেছিলেন। ফরমায়েশ করলে নিশ্চয়ই শান্তিনিকেতনি ডান্ডাও হাজির করতে পারবেন তিনি।