অফিসে বসেই মদ-মাংস খাওয়ার অভিযোগ, মধ্যমণি নাকি কেশপুরের বিএলআরও স্বয়ং
দ্য ওয়াল ব্যুরো: সন্ধ্যা নামতেই কেশপুরের ব্লক ভূমি ও ভূমি সংস্কার দফতরে বসে চলছে মদ্যপান যার মধ্যমণি নাকি বিএলআরও নিজেই – এমন অভিযোগ করেছেন এলাকার তৃণমূল কর্মীরা। কেশপুরের বিধায়কের করা বালি পাচারের অভিযোগের অগ্রগতি নিয়ে জানাতে যখন বিএলআরও অ
শেষ আপডেট: 5 March 2020 11:07
দ্য ওয়াল ব্যুরো: সন্ধ্যা নামতেই কেশপুরের ব্লক ভূমি ও ভূমি সংস্কার দফতরে বসে চলছে মদ্যপান যার মধ্যমণি নাকি বিএলআরও নিজেই – এমন অভিযোগ করেছেন এলাকার তৃণমূল কর্মীরা। কেশপুরের বিধায়কের করা বালি পাচারের অভিযোগের অগ্রগতি নিয়ে জানাতে যখন বিএলআরও অফিসে যান তৃণমূল কর্মীরা তখনই তিনি তাঁরা এই দৃশ্য দেখেন বলে দাবি করছেন।
বেশ কিছুদিন ধরে এলাকায় বালি পাচারের অভিযোগ নিয়ে ব্লক ভূমি ও ভূমি সংস্কার আধিকারিকের দ্বারস্থ হয়েছিলেন খোদ বিধায়ক। এই অভিযোগ সম্পর্কে খোঁজ নিয়ে গিয়ে অবাক হয়ে যান তৃণমূল কর্মীরা। বিএলআরও অফিসে সন্ধে নামার পর চলছে মাংস সহযোগে ‘মদ্যপানের পার্টি’। এমন দৃশ্য দেখে অফিসের ভিতরেই বিএলআরও প্রশান্ত বিশ্বাসকে আটকে রেখে দীর্ঘক্ষণ বিক্ষোভ দেখান তৃণমূল কংগ্রেস কর্মীরা। আটকে রাখা হয় যাঁরা ওই ‘পার্টি’তে যাঁরা যোগ দিয়েছিলেন তাঁদেরও।
[caption id="attachment_192990" align="aligncenter" width="1280"]

বিএলআরও অফিসে আসবাবের নীচে মদের খালি বোতল[/caption]
কেশপুর বিএলআরও অফিসে দীর্ঘক্ষণ বিক্ষোভ দেখানো হচ্ছে, এই খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে হাজির হয় কেশপুর থানার পুলিশ।
বিএলআরও অবশ্য তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা যাবতীয় অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি জানিয়েছেন যে কাজ জমে থাকায় তা শেষ করার জন্য তাঁরা নির্ধারিত সময়ের পরেও অফিসে ছিলেন।
গোটা বিষয়টি নিয়ে কেশপুরের তৃণমূল বিধায়ক শিউলি সাহা বলেন, বেশ কিছুদিন ধরে তিনি বারবার এলাকার অবৈধ বালি পাচার নিয়ে অভিযোগ জানিয়েছিলেন বিএলআরও প্রশান্ত বিশ্বাসকে। ছবি ও প্রমাণ-সহ অভিযোগ জানানো সত্ত্বেও বিএলআরও কোনও ব্যবস্থা নেননি বলে তাঁর অভিযোগ। তিনি বলেন, “কোনও রকম অনুমোদন ছাড়াই বেশ কয়েকটি জমির পাট্টা দিয়েছেন বিএলআরও, বেশ কয়েকটি জমির মিউটেশনের ক্ষেত্রেও বিলআরও গরমিল করেছেন।”
ইতিমধ্যেই বিষয়টি নিয়ে জেলাশাসক ও জেলা ভূমি সংস্কার দফতরের আধিকারিকের কাছে তদন্তের দাবি জানিয়েছেন বিধায়ক শিউলি সাহা। তদন্ত করে দ্রুত রিপোর্ট জমা দিতে বলেছেন বিডিওকে।
অতিরিক্ত জেলাশাসক তথা জেলা ভূমি সংস্কার আধিকারিক উত্তম অধিকারী জানিয়েছেন, লিখিত অভিযোগ জমা পড়ার পরেই বিভাগীয় তদন্ত করা হবে সংশ্লিষ্ট আধিকারিকের বিরুদ্ধে। দোষী প্রমাণিত হলে কড়া শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে।”