দ্য ওয়াল ব্যুরো: মালদহের বন্যাত্রাণে দুর্নীতি মামলায় হাইকোর্টের তীব্র ভর্ৎসনার মুখে পড়তে হল রাজ্য সরকারকে। বৃহস্পতিবার এই মামলার শুনানিতে ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি রাজেশ বিন্দাল এবং বিচারপতি রাজর্ষি ভরদ্বাজের বেঞ্চ কার্যত তুলোধনা করে রাজ্যকে।
ঘটনা কী?
২০১৭ সালে ব্যাপক বন্যা হয়েছিল মালদহে। সেই সময়ে মালদহের একাধিক ব্লকের জন্য জন্য মোট ৪০ কোটি টাকা বরাদ্দ হয়। তার মধ্যে বারওয়া ব্লকের জন্য ১০ কোটি বরাদ্দ হয়েছিল। কথা ছিল, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলিকে স্থানীয় পঞ্চায়েত ক্ষতিপূরণের টাকা দেবে। অভিযোগ, একটি অ্যাকাউন্টে একাধিকবার টাকা পাঠানোর ঘটনা ঘটেছে। শুধু তাই নয়, কয়েকটি নির্দিষ্ট অ্যাকাউন্টেই বারবার টাকা ঢুকেছে বলে অভিযোগ।
এবছর জুলাই মাসে কলকাতা হাইকোর্টে একটি জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়। সেই মামলার শুনানি এর আগে হয়েছিল। এদিন ডিভিশন বেঞ্চ রাজ্য সরকারের অ্যাডভোকেট জেনারেল কিশোর দত্তকে প্রশ্ন করে, সরকার কী ব্যবস্থা নিয়েছে? অ্যাডভোকেট জেনারেল জানান, শোকজ ও নোটিস জারি করা হয়েছে। কিছু টাকাও উদ্ধার হয়েছে।
তখন প্রধান বিচারপতি ফের প্রশ্ন করেন, এটুকুই পদক্ষেপ? একটা পঞ্চায়েতে এই অবস্থা হলে সারা জায়গায় কী হচ্ছে? কোনও গ্রেফতার হয়েছে কি? এই অপরাধে তো ৪০৯ ধারায় যাবজ্জীবন শাস্তি হয়। আপনি আগামী ৮ সেপ্টেম্বরের মধ্যে জানান আপনারা কী পদক্ষেপ নিয়েছেন।
যে পঞ্চায়েতের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তার প্রধান সোনামুখী সাহার বিরুদ্ধে এফআইআর রুজু হয়েছে আগেই। তাঁকে কেন গ্রেফতার করা হয়নি তা নিয়েও প্রশ্ন তোলে আদালত। যে ঘটনায় তীব্র অস্বস্তিতে রাজ্য সরকার।