
শেষ আপডেট: 18 June 2020 11:53
বাঁশের ডুবন্ত সেতু দিয়ে চলছে ঝুঁকির পারাপার।[/caption]
বর্ষার সময় অস্থায়ী বাঁশের সেতু খুলে নিলে দুর্ভোগ বেড়ে যায় পারাপারে। রাত ন’টার পরে ফেরি চলে না। অসুবিধায় পড়তে হয় নদী পাড়ের মানুষজনকে।
সোমবার রাত থেকে দামোদরে জল বাড়তে শুরু করেছে। জল বাড়তে বাড়তে অস্থায়ী বাঁশের সেতু প্রায় ছুঁয়ে ফেলেছে। চরের খানিকটা ডুবে যাওয়ার পরেও হাঁটুর বেশি জলে ঝুঁকি নিয়ে অনেকে মোটর বাইক, সাইকেল, ভ্যান প্রভৃতি নিয়ে নদী পার হচ্ছেন।
[caption id="attachment_230949" align="aligncenter" width="1063"]
বাঁশের ডুবন্ত সেতু পেরিয়ে চরের উপর দিয়ে এভাবেই চলে বাইক।[/caption]
নৌকার মাঝি সুশান্ত সিং বলেন, “জল বাড়তেই নৌকা চালানো শুরু করেছি তা সত্ত্বেও ঝুঁকি নিয়ে বাঁশের নড়বড়ে সেতু দিয়ে অনেকে জল পেরিয়ে যাচ্ছেন। বারন করলেও তাঁরা শুনছেন না। তাই যে কোনও সময় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। এই এলাকার মানুষের স্থায়ী সেতুর দাবি অনেক দিনের।”
জামালপুর ব্লকের বাসিন্দা শিবসাধন মাঝি বলেন, জরুরি কাজের জন্য শম্ভুপুর ঘাট পেরিয়ে ঝুঁকি নিয়ে নদী পারাপার করতে হয়। এতে এলাকার মানুষজন খানিকটা হলেও উপকৃত হয়। এক দিকে যেমন রাস্তার দূরত্ব কমে অন্য দিকে তেমনি সহজে বর্ধমানে পৌঁছনো যায়।
গত কয়েক বছর ধরে এই ভাবে দামোদরের অস্থায়ী বাঁশের সেতু দিয়ে পারাপার করতে গিয়ে ছোট বড় দুর্ঘটনা ঘটেছে। বহু মানুষের প্রাণ গেছে। তবু হুঁশ ফেরেনি প্রশাসনের। পূর্ব বর্ধমান জেলা পরিষদের সভাধিপতি শম্পা ধাড়া বলেন, “বাঁশের সেতুগুলি খুলে দেওয়ার কাজ শুরু হয়েছে। পঞ্চায়েত সমিতিকে এই বিষয়ে নির্দেশিকা দেওয়া হয়েছে। তবে মানুষের কাছে অনুরোধ, এই ভাবে ঝুঁকি নিয়ে পারাপার করবেন না। অতীতে এই ভাবে পার হতে গিয়ে অনেক দুর্ঘটনা ঘটেছে।” স্থায়ী সেতু কবে হবে সে ব্যাপারে তিনি অবশ্য কোনও কথা বলেননি।