বালুরঘাটে রাস্তা বানালেন গ্রামবাসীরা, কমে গেল তিন কিলোমিটার দূরত্ব
দ্য ওয়াল ব্যুরো: একগ্রাম থেকে আর এক গ্রামে যেতে তিন কিলোমিটারের কাছাকাছি রাস্তা ঘুরে যেতে হয়। দক্ষিণ দিনাজপুরের বালুরঘাট ব্লকের জলঘর ও চকভৃগু গ্রামের মাঝে একটি ডোবা থাকায় এই দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছিল পাঁচটি গ্রামের মানুষকে। তাই চাঁদা তুলে ও ঝোড
শেষ আপডেট: 8 June 2020 11:06
দ্য ওয়াল ব্যুরো: একগ্রাম থেকে আর এক গ্রামে যেতে তিন কিলোমিটারের কাছাকাছি রাস্তা ঘুরে যেতে হয়। দক্ষিণ দিনাজপুরের বালুরঘাট ব্লকের জলঘর ও চকভৃগু গ্রামের মাঝে একটি ডোবা থাকায় এই দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছিল পাঁচটি গ্রামের মানুষকে। তাই চাঁদা তুলে ও ঝোড়া-কোদাল নিয়ে নিজেরাই রাস্তা বানিয়ে ফেললেন গঙ্গাসাগর গ্রামের লোকজন।
দীর্ঘদিন ধরেই চলাচলের সমস্যায় ভুগছিলেন জলঘর গ্রাম পঞ্চায়েতের গঙ্গাসাগর, চককাশি, রাধানগর, গুপীনগর এলাকার বাসিন্দারা। শহরে তো বটেই, হাটে বাজারে যেতেও দুই থেকে তিন কিলোমিটার বেশি পথ পার হতে হচ্ছিল গ্রামবাসীদের।
সমস্যা আরও একটা আছে। আত্রেয়ী থেকে বের হওয়া কাশিয়াখাড়ির উপরে রয়েছে একটি অস্থায়ী বাঁশের সাঁকো। এই সাঁকোয় বেশ কয়েক বার দুর্ঘটনা ঘটেছে। তাছাড়া বর্ষায় জল বেড়ে গেলে এই পথও নৌকায় পার হতে হয়।

একটি ‘শর্ট কাট’ রাস্তা আছে ঠিকই তবে স্থানীয় কোয়ারন এলাকায় একটি ডোবা থাকায় সেখানে চলাচলের সমস্যা রয়েছে। পঞ্চায়েতে রাস্তা মেরামতির দাবি জানালেও জলঘর ও চকভৃগু দুই পঞ্চায়েতের মাঝখানে হওয়ায় উদ্যোগী হয়নি কোনও পঞ্চায়েতই। তাই বাধ্য হয়ে সোমবার এলাকায় সমাজসেবী বলে পরিচিত কনক মণ্ডলের উদ্যোগে গঙ্গাসাগর গ্রামের লোকজন চাঁদা তুলে কোদাল নিয়ে নিজেরাই রাস্তা মেরামত করে ফেললেন।
কোয়ারন এলাকার ওই ডোবায় পাইপ বসিয়ে ট্র্যাক্টরে করে মাটি ফেলে রাস্তা মেরামত করে ফেলায় জুড়ে গেল জলঘর ও চকভৃগু গ্রাম পঞ্চায়েত। নতুন এই রাস্তা তৈরির ফলে তিন কিলোমিটার রাস্তা কমে গেল। সুবিধা হল অন্তত পাঁচটি গ্রামের মানুষের।