
শেষ আপডেট: 4 January 2020 09:29
ঘটনাস্থলে হাজির হন মালদা জেলার ডেপুটি পুলিশ সুপার (হেডকোয়ার্টারস) প্রশান্ত দেবনাথ ও পুলিশ-প্রশাসনের বেশ কয়েকজন আধিকারিক। তাঁরা ঘটনাস্থল থেকে নমুনা সংগ্রহ করেছেন। পুলিশ তদন্ত শুরু করে।
বিকেল পাঁচটা নাগাদ ঘটনাস্থলে যান মালদহের পুলিশ সুপার আলোক রাজরিয়া। তিনি যুবতীর পরিচয় প্রকাশ করেন। তিনি বিহারের কিষানগঞ্জের বাসিন্দা। পুলিশ সুপার জানিয়েছেন, ছক কষেই মারা হয়েছে ওই যুবতীকে। ময়নাতদন্তে বাকিটা জানা যাবে। তদন্তের স্বার্থে এর বেশি কিছু পুলিশ জানাতে চায়নি।
গত ৫ ডিসেম্বর কোতোয়ালি গ্রাম পঞ্চায়েতের টিপাজনি এলাকায় চাকলা মোড়ে এক তরুণীর দেহ পড়ে থাকতে দেখেন এলাকার মানুষ। খবর রটতেই তীব্র উত্তেজনা সৃষ্টি হয় গোটা এলাকায়। প্রমাণ লোপাটের জন্য ধর্ষণের পরে ওই তরুণীকে পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেন এলাকার লোকজন। তদন্ত শুরু করে পুলিশ।
ঘটনার তিনদিন পরেও ওই তরুণীর দেহ সনাক্ত করতে না পেরে শেষপর্যন্ত সোশ্যাল মিডিয়ার সাহায্য নেয় মালদহ জেলা পুলিশ। কোনও তরুণী নিখোঁজ জানতে পারলেই তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ করার জন্য বার্তা পাঠানো হয় জেলা ও জেলার বাইরের বিভিন্ন থানাকে। মৃত তরুণীর হাতের আংটি, বালা, বাঁ হাতের ট্যাটু সবকিছুর ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে দেয় পুলিশ। সেই দেখে মঙ্গলবার বিকেলে ওই তরুণীর মা নিউ জলপাইগুড়ি থানায় যোগাযোগ করেন। পরে মালদহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এসে মেয়ের দেহ সনাক্ত করেন তিনি।
নিহতের নাম ঝুমা দে, তিনি শিলিগুড়ির অম্বিকানগরের বাসিন্দা। বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের জেরেই এই খুন বলে অভিযোগ। এই ঘটনায় বাপন ঘোষ নামে একজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ।