ভারতীর হুমকির ১২ ঘণ্টার মধ্যেই কেশপুরে তীরবিদ্ধ দুই তৃণমূল কর্মী
দ্য ওয়াল ব্যুরো: শনিবার পশ্চিম মেদিনীপুরের কেশপুরের আনন্দপুরে গিয়ে হুমকি দিয়েছিলেন ঘাটালের বিজেপি প্রার্থী ভারতী ঘোষ। বলেছিলেন, 'কেউ ভয় দেখালে বাড়ি থেকে বের করে কুকুরের মতো মারব।' ভারতীর হুমকির ১২ ঘণ্টার মধ্যে কেশপুরে তীরবিদ্ধ হলেন দুই তৃণম
শেষ আপডেট: 5 May 2019 14:08
দ্য ওয়াল ব্যুরো: শনিবার পশ্চিম মেদিনীপুরের কেশপুরের আনন্দপুরে গিয়ে হুমকি দিয়েছিলেন ঘাটালের বিজেপি প্রার্থী ভারতী ঘোষ। বলেছিলেন, 'কেউ ভয় দেখালে বাড়ি থেকে বের করে কুকুরের মতো মারব।' ভারতীর হুমকির ১২ ঘণ্টার মধ্যে কেশপুরে তীরবিদ্ধ হলেন দুই তৃণমূল কর্মী।
সূত্রের খবর, শনিবার রাতে বাইকে করে ফিরছিলেন দুই তৃণমূল কর্মী সঞ্জিত নায়েক ও শেখ শাহাবুদ্দিন। সেই সময় কেশপুর দু'নম্বর ব্লকের মহারাজপুর গ্রামে দু'জনের উপর হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ। তীরবিদ্ধ হন দু'জন। আহত দুই তৃণমূল কর্মীকে প্রথমে মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ ও তারপরে কলকাতায় নিয়ে আসা হয়। তৃণমূল অভিযোগ করেছে, বিজেপি আশ্রিত দুষ্কৃতীরা এই হামলার সঙ্গে যুক্ত। ইতিমধ্যেই নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছে তৃণমূল। অন্যদিকে স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্ব তৃণমূলের এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে। তাদের দাবি, এই ঘটনায় বিজেপির কেউ যুক্ত নয়।

দু’দিন আগে তৃণমূল-বিজেপি সংঘর্ষ হয়েছিল কেশপুরে। আহত হয়েছিলেন বেশ কয়েকজন বিজেপি কর্মী। আহত দলীয় কর্মীদের দেখতেই শনিবার কেশপুরে গিয়েছিলেন ভারতী। আর গ্রামে ঢুকতেই অভিযুক্তরা পড়ে যান ভারতীর সামনে। আর দেখে কে! গেরুয়া পোশাকের ভারতীর মেজাজ তখন এসপি ভারতীর মতো। গ্রামের মহিলাদের সামনেই বলে দিলেন, “করে খাচ্ছে আবার ভয় দেখাচ্ছে ভোট করতে দেবে দেবে না। ভয় দেখাস না! টেনে টেনে বাড়ি থেকে বের করে কুকুরের মতো মারব।
এখানেই থামেননি ভারতী। ওই দুই তৃণমূলকর্মীকে বলেন, “এক বছর ধরে খুঁজে খুঁজে মারব। উত্তরপ্রদেশ থেকে এক হাজার ছেলে ঢোকাব। এক হাজার লোক ঢোকাব। খুঁজে পাওয়া যাবে না তোদের। চল ফোট। বাড়ি যা। তালা মার।” দুই তৃণমূলকর্মীকে দেখা যায় জায়গা ছেড়ে উল্টোদিকে হাঁটা দিতে।
ভারতীর এমন কাণ্ডে প্রতিক্রিয়া দিতে দেরি করেনি তৃণমূল। দলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায় বলেন, “ভারতী এখন ও প্রাক্তন পোশাকটা ব্যবহার করছেন। যিনি নিজে একজন প্রার্থী তাঁর আচরণ এই রকম? আমরা কমিশনের কাছে দাবি জানাব ভারতী ঘোষের প্রার্থী পদ বাতিলের।” ঘাটালে এ দিন পদযাত্রা শেষে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও বলেন, “এই ভদ্রমহিলার গ্রাম সভায় লড়ার ক্ষমতা নেই, লোকসভায় লড়তে এসেছে।” হুঁশিয়ারির সুরে মমতা বলেন, “সীমা লঙ্ঘণ করবেন না!”
আরও পড়ুন
https://www.four.suk.1wp.in/news-state-mamata-banerjee-clears-why-abhishek-banerjee-joined-politics/