একই দিনে ডুবল দু’টি বাংলাদেশি জাহাজ, একটি মুড়িগঙ্গায় ও অন্যটি হুগলি নদীতে
দ্য ওয়াল ব্যুরো: একই দিনে দক্ষিণ ২৪ পরগনায় দুই নদীতে ডুবে গেল দু’টি বাংলাদেশি জাহাজ। এই ঘটনায় অবশ্য কেউ হতাহত হননি।
সাগরের কচুবেড়িয়া ঘাটের কাছে বৃহস্পতি বার বিকেল ৪টে ৪০ মিনিটে মুড়িগঙ্গা নদীর উপরে থাকা একটি বিশাল বিদ্যুতের খুঁটিতে ধাক্কা
শেষ আপডেট: 9 April 2020 18:44
দ্য ওয়াল ব্যুরো: একই দিনে দক্ষিণ ২৪ পরগনায় দুই নদীতে ডুবে গেল দু’টি বাংলাদেশি জাহাজ। এই ঘটনায় অবশ্য কেউ হতাহত হননি।
সাগরের কচুবেড়িয়া ঘাটের কাছে বৃহস্পতি বার বিকেল ৪টে ৪০ মিনিটে মুড়িগঙ্গা নদীর উপরে থাকা একটি বিশাল বিদ্যুতের খুঁটিতে ধাক্কা মারে একটি বাংলাদেশি জাহাজ। জাহাজের নাবিক-সহ দশ জন মানুষের জীবন রক্ষা করে ঘোড়ামারা স্বামীজি সঙ্ঘ থেকে আসা একটি নৌকা। এই নৌকাটি সাগর থানাতে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের দেওয়া টাকার চেক আনতে গিয়েছিল।
সাগর থানার ওসি বাপি রায়, ভিলেজ পুলিশ কমলেশ গুড়িয়া ও সাগর বিধানসভার কেন্দ্রের বিধায়ক বঙ্কিমচন্দ্র হাজরা ঘটনাস্থলে যান। জাহাজ থাকা এত জনের প্রাণ বাঁচানোর জন্য স্বামীজি সঙ্ঘ থেকে আসা ওই নৌকার মালিক বরুণ প্রামাণিকের তাঁরা প্রশংসা করেন। তাঁকে ধন্যবাদও জানান।
বৃহস্পতিবার ভোরে ঝড়ো হাওয়ার দাপটে হুগলি নদীর চরে আটকে যায় একটি বাংলাদেশি বার্জ। দক্ষিণ ২৪ পরগনার পুজালি থেকে ছাই নিয়ে বাংলাদেশের দিকে যাচ্ছিল বার্জটি। অসতর্কতার কারণে সেটি আটকে যায় কুলপি থানার মন্তেশ্বর খাল এলাকার হুগলি নদীর চড়ায়। সকালের দিকে স্থানীয় মানুষজন ওই বার্জটিকে দেখে খবর দেন কুলপি থানায়। খবর দেওয়া হয় কলকাতা পোর্ট টাস্টেও।

এই এলাকায় বার্জ চলাচল নিয়ে ইতিমধ্যেই সাধারণ মানুষের মনে বেশ কয়েকটি প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। জোয়ার এলে চরে আটকে যাওয়া জাহাজের তলিয়ে যাওয়া এখানে নতুন ঘটনা নয়। কয়েক দিন আগেও হুগলি নদীতে একই ঘটনা ঘটেছিল। হুগলি নদীতে এখনও ডুবে রয়েছে এমভি তোফা আরিফ - ৪ নামে বাংলাদেশি একটি বার্জ। উদ্ধারকাজ এখনও চলছে। ডুবে যাওয়ার আগে স্থানীয় মানুষ জাহাজটিকে ভাসিয়ে রাখার চেষ্টা করেছিলেন যদিও জোয়ার আসতেই জাহাজটি ভেসে এগিয়ে গিয়ে পরে ডুবে যায়।
স্থানীয় মানুষজন প্রশ্ন তুলেছেন সারা দেশে যেখানে লকডাউন চলছে সেখানে কেন হাতানিয়া-দোয়ানিয়া ও হুগলি নদীর পথ ধরে বজবজ ও পুজালি দিয়ে বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্যের অনুমতি দিয়েছে ভারত। কয়েক দিন আগে হলদিয়া বন্দরে এক অস্থায়ী ঠিকাশ্রমিকের শরীরে করোনাভাইরাস পজিটিভ রিপোর্ট এসেছে। তার আগে কোচবিহারের চ্যাংরাবান্ধা সীমান্ত আধ ঘণ্টার জন্য খুলে দেওয়া নিয়ে স্থানীয় লরিচালকরাই নানা প্রশ্ন তুলেছিলেন। তাও সীমান্ত খোলা হয়েছিল।