দ্য ওয়াল ব্যুরো: বিপুল পরিমাণ ইয়াবা ট্যাবলেট সমেত দুই সন্দেহভাজন পাচারকারীকে গ্রেফতার করল মালদার বৈষ্ণবনগর থানার পুলিশ। ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়কের পিটিএস মোড় এলাকা থেকে শনিবার ভোররাতে একটি গাড়িতে চেপে তারা যাচ্ছিল। ধৃতদের শনিবার মালদহ জেলা আদালতে পাঠিয়ে তদন্ত শুরু করেছে বৈষ্ণবনগর থানার পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে ধৃতদের নাম দিবাকর কুণ্ডু ও নীরেন রায়। দিবাকরের বয়স ৩৮ বছর ও নীরেনের ৩২ বছর। তারা দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার হিলি থানা এলাকার বাসিন্দা। একটি নম্বর বিহীন চার চাকা গাড়ি সমেত ধৃতদের কাছ থেকে উদ্ধার হয় ১৪ হাজার ইয়াবা ট্যাবলেট। তাদের দুটি মোবাইল ফোন নিজেদের হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, লকডাউনের জেরে ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়কে বৈষ্ণবনগর থানার পুলিশ নাকা চেকিং চলছে। শনিবার ভোররাতে ছোট চার চাকা গাড়ি আটকে তল্লাশি চালায় পুলিশ। উদ্ধার হয় সাতটি প্যাকেট। প্যাকেট খুলতেই বেরিয়ে আসে ইয়াবা ট্যাবলেট। তারপরই গাড়িতে থাকা দুই ব্যক্তিতে পাচারকারী সন্দেহে পুলিশ গ্রেফতার করে।
প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ জানতে পেরেছে, মুর্শিদাবাদের ধুলিয়ান থেকে এই ইয়াবা ট্যাবলেটগুলি নিয়ে মালদহ হয়ে দক্ষিণ দিনাজপুরের হিলিতে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। বাংলাদেশের পাচার চক্রের সঙ্গে এদের যোগাযোগ থাকতে পারে বলে প্রাথমিক ভাবে মনে করছে বৈষ্ণবনগর থানার পুলিশ।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ইয়াবা ট্যাবলেট প্রথম ব্যবহার করা শুরু হয় সেনাদের সজাগ করার জন্য কিন্তু পরে বিভিন্ন দেশ তা নিষিদ্ধ করে দেয়। বিভিন্ন স্টেরয়েডের মিশ্রণে তৈরি লাল রঙের এই ট্যাবলেট সাধারণত ফয়েলে মোড়া থাকে। এটি নেশাড়ুরা সরাসরিও খেয়ে থাকে আবার অনেকে গুঁড়ো করে, সেই গুঁড়ো গরম করে তার ধোঁয়া পান করে। বিভিন্ন ফ্লেভারের হলেও ভ্যানিলা ফ্লেভারই আন্তর্জাতিক বাজারে বেশি পাওয়া গেছে।