
শেষ আপডেট: 17 June 2019 14:39
সুনীল বিজেপি-তে যাওয়ার পরই নৈহাটির তৃণমূল বিধায়ক পার্থ ভৌমিক তাঁকে ‘গদ্দার’ বলে তোপ দেগেছেন। পাল্টা দিল্লি থেকে সুনীল বলেন, “গদ্দার পার্থ ভৌমিক নিজে। কারণ উনি মানুষের সঙ্গে গদ্দারি করেছেন।” এ দিনের যোগদান পর্বে উপস্থিত ছিলেন বিজেপি নেতা কৈলাস বিজয়বর্গীয়, মুকুল রায়, অর্জুন সিং। ব্যারাকপুরের সাংসদ অর্জুন বলেন, “এ তো সবে শুরু হল। কত বিধায়ক আসবে শুধু দেখতে থাকুন।”
ইতিমধ্যে জানা গিয়েছে বনগাঁ উত্তরের তৃণমূল বিধায়ক বিশ্বাজিত দাসও নাকি দিল্লি গিয়েছেন। সঙ্গে পুরসভার সংখযাগরিষ্ঠ কাউন্সিলর। মঙ্গলবার তাঁরা যোগ দেবেন বিজেপি-তে। অর্জুন সিং বলেন, “দিদিমণির বাজার পড়ে গিয়েছে। আমি তো আগেই বলেছিলাম, আমি একা নই। গারুলিয়ার পর আশেপাশের পুরসভাও কোমর বেঁধেছে। কালকে বনগাঁ। তারপর ব্যারাকপুর, উত্তর ব্যারাকপুর, খড়দহ—সব চলে যাবে তৃণমূলের হাত থেকে।”
ব্যারাকপুর শিল্পাঞ্চলের রাজনীতিকে যাঁরা খুব কাছ থেকে দেখেন, তাঁদের অনেকেরই মতে, যত দিন যাচ্ছে, তত প্রকট হচ্ছে এই অঞ্চলের তৃণমূল নেতৃত্বের সাংগঠনিক দুর্বলতা। ক্রমশ ছড়াচ্ছে তৃণমূল ছেড়ে বিজেপি-তে যাওয়ার হিড়িক। ভাটপাড়ায় তৃণমূলকে খুঁজে পাওয়া মুশকিল। এ দিন সুনীলও গেলেন বিজেপি-তে। যা দেখে অনেকেই বলছেন, এই সে দিনও যে দলটার নামে বাঘে-গরুতে এক ঘাটে জল খেয়ে যেত, সেই দলটাই কেমন গুটিয়ে যাচ্ছে!