দ্য ওয়াল ব্যুরো: আত্মহত্যা করলেন বর্ধমানের তৃণমূল নেতা তথা রায়না এক নম্বর পঞ্চায়েত সমিতির পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ চৌধুরী মোস্তাফা হোসেন। সোমবার বিকেলে পঞ্চায়েত সমিতির কার্যালয় থেকে তাঁর দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে পুলিশ।
আত্মঘাতী তৃণমূল নেতার বাড়ি রায়নার আউসারায়। তাঁর স্ত্রী, সন্তান রয়েছে। পেশায় আইনজীবী ছিলেন তরুণ এই তৃণমূল নেতা। প্র্যাকটিস করতেন বর্ধমান আদালতে।
পঞ্চায়েত সমিতির কর্মাধ্যক্ষ রত্না মোহন্ত বলেন, দলীয় কর্মসূচি থাকায় এদিন দুপুরে পঞ্চায়েত সমিতির সকলে সেখানে চলে গিয়েছিলেন। তিনি জানান, মোস্তাফা তাঁদের বলেন শরীর ভাল লাগছে না। তাই তিনি কর্মসূচিতে যাবেন না। বিকেলে পঞ্চায়েত সমিতির নেতারা কার্যালয়ে ফিরে দেখেন দোতলার বারান্দায় পূর্ত কর্মাধ্যক্ষর দেহ ঝুলছে।
আইনজীবী হওয়ার কারণে জেলা জুড়ে পরিচিতি ছিল এই তৃণমূল নেতার। তাই তাঁর আত্মঘাতী হওয়ার খবরে রায়না তো বটেই সারা পূর্ব বর্ধমান জেলাতেই আলোড়ন পড়ে গিয়েছে। কী কারণে আত্মঘাতী হলেন তরুণ এই নেতা সে ব্যাপারে পুলিশ এবং শাসকদলের নেতৃত্ব কেউই সঠিক ভাবে কিছু বলতে পারছেন না।
তাঁর পরিবারের লোকজনও হতবাক। মৃতের দাদা আজম চৌধুরী জানিয়েছেন, বাড়িতে কোনও অশান্তি বা কিছু হয়নি। দলের মধ্যে কোনও সমস্যার কথা বা রাজনৈতিক চাপের ব্যাপারেও তেমন কিছু তিনি জানেন না বলে সংবাদমাধ্যমে জানিয়েছেন তিনি। বর্ধমান আদালতের আইনজীবীরাও সহকর্মীর আত্মহত্যার খবর শুনে কার্যত আকাশ থেকে পড়েছেন। গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছছে পুলিশ।