
শেষ আপডেট: 24 January 2019 10:36
জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার সকালে মাড়গ্রামের বামদেবপুর এলাকায় সরষে খেতে ফসল তুলছিলেন এক মহিলা। সেই সময় কয়েকজনের সঙ্গে তাঁর বচসা হয়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই ফের দু'পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। প্রথমে হাতাহাতি থেকে ক্রমেই তা গড়ায় বোমাবাজিতে। গ্রামে মুড়ি-মুড়কির মতো বোমা পড়তে থাকে।
খবর পেয়ে সেখানে পৌঁছয় মাড়গ্রাম থানার পুলিশ। কিন্তু প্রথমে তাঁরা গ্রামের ভিতরে ঢুকতে পারেননি। ফিরে যেতে হয় তাঁদের। এর পর রামপুরহাট ও সিউড়ি থেকে সেখানে পৌঁছয় বিশাল পুলিশবাহিনী। তারপর গ্রামে ঢুকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে পুলিশ। এলাকায় বসেছে পুলিশ পিকেট। গ্রামের পরিস্থিতি এখনও থমথমে হয়ে রয়েছে।
তবে এই প্রথম নয়, এর আগেও একাধিকবার গোষ্ঠীসংঘর্ষে উত্তপ্ত হয়েছে নানুর, মুরারই, মহম্মদবাজার-সহ বিভিন্ন এলাকা। কয়েক মাস আগেই খয়রাশোলে গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে খুন হয়েছিলেন তৃণমূলের ব্লক সভাপতি দীপক ঘোষ। যদিও মাড়গ্রামের ঘটনায় গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল। তাদের অভিযোগ, গ্রামের দুটো দলের মধ্যে গণ্ডগোল। এর সঙ্গে তৃণমূলের কোনও যোগ নেই।