দ্য ওয়াল ব্যুরো: আস্থা ভোট ঘিরে রণক্ষেত্র চেহারা নিল বনগাঁ পুর এলাকা।
বনগাঁ পুরসভায় এ দিন আস্থা ভোট হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু ভোট হবে কি? বিজেপি কাউন্সিলরদের অভিযোগ, হাইকোর্টের নির্দেশ সত্ত্বেও তাঁদের পুরসভায় ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে। পুলিশ আর তৃণমূলের গুণ্ডাবাহিনী বাধা দিচ্ছে। আর তৃণমূলের পাল্টা দাবি, দুই কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা রয়েছে। তাঁদের গ্রেফতার করতে হবে।
পুরসভার বাইরে বচসা এ নিয়ে ক্রমশই রাজনৈতিক সংঘর্ষের চেহারা নেয়। পরিস্থিতি সামাল দিতে নামাতে হয় র্যাফ এবং বিরাট পুলিশ বাহিনী। দুপুর দুটোর সময় ভোটাভুটি হওয়ার কথা ছিল। এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তা শুরু হয়নি। বিজেপি কাউন্সিলররা স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, পুলিশ যদি তাঁদের পুরসভায় ঢুকতে আটকায় এবং শেষ পর্যন্ত আস্থা ভোট আটকায়, তাঁরা ফের আদালতে যাবেন।
বনগাঁ পুরসভার মোট আসন সংখ্যা ২২। এর মধ্যে তৃণমূলের দখলে ছিল ২০টি। একটি বাম এবং একটি ওয়ার্ড ছিল কংগ্রেসের। এর মধ্যে ১২ জন তৃণমূল কাউন্সিলর গত ৯ জুন বিজেপি-তে যোগ দেন। তার মধ্যে থেকে কাউন্সিলর শম্পা মহান্তি আবার তৃণমূলে ফিরে যান। সমীকরণ দাঁড়ায় বিজেপি ১১। তৃণমূল ৯।
শম্পা অভিযোগ করেন, তিনি তৃণমূলে ফেরায় দুই কাউন্সিলর কার্তিক মণ্ডল এবং হিমাদ্রী মণ্ডল তাঁকে হুমকি দেন। থানায় গিয়ে এফআইআর করেন। অভিযোগ করেন, ওই দুই কাউন্সিলর কার্তিক এবং হিমাদ্রি তাঁকে অপহরণের চেষ্ট করেছিল। গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয় ওই দুই কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে। হাইকোর্টে জামিনের আবেদন করেন কার্তিক এবং হিমাদ্রি। মঙ্গলবার দুপুরেই কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী নির্দেশ দিয়েছেন, ওই দুই কাউন্সিলরকে এখনই গ্রেফতার করা যাবে না।