দ্য ওয়াল ব্যুরো: উপনির্বাচন মিটতে না মিটতেই রাজনৈতিক উত্তেজনা শুরু হয়ে গেল দুই মেদিনীপুরে। পূর্ব মেদিনীপুরের পটাশপুরে ভাঙচুর হল বিজেপির কার্যালয়। আর পশ্চিম মেদিনীপুরের মোহনপুরে তৃণমূল পার্টি অফিসে চলল বেপরোয়া ভাঙচুর। তৃণমূলের অভিযোগ, বিজেপি ভেঙেছে তাদের পার্টি অফিস। পটাশপুরের ঘটনায় বিজেপির অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে।
তৃণমূলের বক্তব্য, লোকসভা নির্বাচনের পর মোহনপুরের পার্টি অফিস দখল করে নিয়েছিল বিজেপি। পরে পুলিশ বিষয়টিতে হস্তক্ষেপ করে। কিন্তু বন্ধই ছিল পার্টি অফিস। খড়্গপুর সদর বিধানসভা উপনির্বাচনে জয়ের পরেই ওই পার্টি অফিস খোলার কর্মসূচি নেয় শাসকদল। বৃহস্পতিবার রাতে তা খোলাও হয়। কিন্তু এদিন দেখা যায়, কেউ বা কারা ওই পার্টি অফিস একেবারে লণ্ডভণ্ড করে দিয়েছে। ভেঙে ফেলা হয়েছে পার্টি অফিসের চেয়ার, টেবিল ও অন্যান্য আসবাব। শাসকদলের অভিযোগ, বিজেপির লোকজনই এই ঘড়টনা ঘটিয়েছে। যদিও এই অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে গেরুয়া শিবির। বিজেপির বক্তব্য, অন্যের জায়গা দখল করে পার্টি অফিস তৈরি করেছিল তৃণমূল। নিজেদের দ্বন্দ্বেই এই ঘটনা ঘটেছে।
অন্যদিকে পূর্ব মেদিনীপুরের পটাশপুরে বিজেপির দলীয় কার্যালয়ে ভাঙচুর ও বোমাবাজির অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। বিজেপির অভিযোগ, তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরাই হামলা চালিয়েছে তাদের পার্টি অফিসে। গভীর রাতে বেপরোয়া বোমাবাজিও হয়েছে বলে অভিযোগ। দলীয় কার্যালয়ে হামলার ঘটনায় দোষীদের গ্রেফতার ও শাস্তির দাবিতে শনিবার সকেল এগরা-বাজকুল রাজ্য সড়ক অবরোধ করে বিজেপি। পরে পুলিশ গিয়ে অবরোধ তুলে দেয়।
তিন বিধানসভার উপনির্বাচনে জয়ের পর প্রথম এই পার্টি অফিস দেখা গিয়েছিল ব্যারাকপুর শিল্পাঞ্চলে। অর্জুন সিং-এর গড়ে চারটি বিজেপির পার্টি অফিস দখল করে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। যদিও শাসকদলের বক্তব্য, ওগুলি তাদেরই ছিল। লোকসভার পর গায়ের জোরে বিজেপি সেগুলি দখল করেছিল। তৃণমূলকর্মীরা শুধু দখলমুক্ত করেছে।