শেষ আপডেট: 6 November 2020 04:21
এই ঘটনায় ধ্বংসস্তূপে চাপা পড়েছিলেন চারজন। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে যায় পুলিশ। শুরু হয় উদ্ধার কাজ। ওই বাড়ির এক সদস্যকে গুরুতর জখম অবস্থায় উদ্ধার করা সম্ভব হলেও পরিবারের বাকি তিনজনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানায় পুলিশ। তার পরেই ক্ষোভে ফুঁসে ওঠেন এলাকাবাসী। দেহ আটকে রেখে কয়েক ঘণ্টা ধরে বিক্ষোভ দেখান তাঁরা। পরিস্থিতি সামাল দিতে গেলে বিক্ষোভের মুখে পড়ে বিশাল পুলিশবাহিনী। অভিযোগ, পুলিশের গাড়ি ভাঙচুর করে দামোদরের বাঁধ থেকে নীচে ফেলে দেয় উন্মত্ত জনতা। জনরোষে আহত হয়েছেন বেশ কয়েকজন পুলিশ কর্মী।
এলাকাবাসীর দাবি, নিহতদের পরিবারকে আর্থিক সাহায্য দিতে হবে এবং ওই এলাকা দিয়ে অবিলম্বে বালি বোঝাই লরির যাতায়াত বন্ধ করতে হবে। এই দাবি পূরণ না হলে দেহ পুলিশকে দেওয়া হবে না বলে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন স্থানীয়রা। পুলিশ তাঁদের আশ্বস্ত করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে যাওয়ায় গন্ডগোল আরও ব্যাপক আকার নেই। পুলিশের গাড়িতে ভাঙচুরের সঙ্গে সঙ্গে বালিখাদানের কার্যালয় এবং একটি লরিতে আগুন লাগিয়ে দেয় বিক্ষোভকারীরা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে লাঠিচার্জ করতে বাধ্য হয় পুলিশ।
সূত্রের খবর, রাত পেরিয়ে সকাল হয়ে গেলেও এখনও এলাকায় উত্তেজনা রয়েছে। নতুন করে যাতে আর কোনও অশান্তি তৈরি না হয় সেজন্য বিশাল পুলিশবাহিনী ও র্যাফ মোতায়েন রয়েছে এলাকায়। সকালে পরিবেশ যথেষ্ট থমথমে ওই এলাকায়। উল্লেখ্য, গতকালের ঘটনার পরই জনরোষ থামাতে এবং পরিস্থিতি সামাল দিতে এলাকায় গিয়েছিল অতিরিক্ত পুলিশবাহিনী। তারাই মৃতদের দেহ উদ্ধার করেছে। আহত প্রশান্ত বাউরিকেও হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।