দ্য ওয়াল ব্যুরো: কী সাহস!
চাকরি দেওয়ার নামে লক্ষ লক্ষ টাকা প্রতারণার অভিযোগ রয়েছে যার বিরুদ্ধে সেই কিনা খোদ ভবানী ভবনে জালিয়াতি করতে গেলেন! আদালতের কাগজপত্র জাল করে সব গুছিয়েই নেমেছিল। কিন্তু শেষ রক্ষা হল না। তিন জন ধারা পড়ে গেল সিআইডির হাতে।
ঘটনা কী?
বৃহস্পতিবার দুপুরে ভবানী ভবনে যায় এক যুবক। সঙ্গে আদালতের সিল দেওয়া কাগজপত্র। আগাম জামিনের প্রক্রিয়া সারতে গিয়েছিল সে। যার নামে মামলা সে তখন দাঁড়িয়ে ভবানী ভবনের বাইরের ফুটপাথে। তার সঙ্গে ছিল আরএক শাগরেদ। মূল অভিযুক্তর নাম নিয়ে ভিতরে ঢোকেন অন্য জন।
কিন্তু দীর্ঘক্ষণ হয়ে গেলেও ভিতরে থাকা যুবক বাইরে না আসায় চাপে পড়ে যায় বাইরে দাঁড়িয়ে থাকা দু'জন। ঘন্টা খানেক পর রিসেপশনে গিয়ে এন্ট্রি লিস্ট থেকে ভিতরে যাওয়া ব্যক্তির নাম মোছার চেষ্টা করা হয়। এরপরই দুজনকে ধরে ফেলেন রাজ্যের গোয়েন্দারা। তিনজনকেই হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করছেন তাঁরা।
ধৃতদের নাম বরুণ লোধা, রোমি হীরাওয়াত এবং রক্তিম চৌধুরী। রক্তিমই রোমি সেজে ভিতরে ঢুকেছিল। ভবানী ভবন সূত্রে জানা গিয়েছে, আদালতের সিল দেওয়া যে হলফনামা নিয়ে ওই যুবক ভিতরে ঢুকেছিল তা সবই জাল।
সল্টলেকের বাসিন্দা রোমি। সরকারি চাকরি দেওয়ার নামে কয়েকশ ছেলের কাছ থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে তার নামে। বিধাননগর উত্তর থানার পুলিশের এই মামলা পরে সিআইডি হাতে নেয়। সেই থেকে গা ঢাকা দিয়ে ছিল এই যুবক।