দ্য ওয়াল ব্যুরো: ভোটের জন্য গ্রেফতারিতে অন্তর্বর্তীকালীন স্থগিতাদেশ চেয়ে দেশের শীর্ষ আদালতে মামলা করেছিলেন গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার নেতা বিমল গুরুং এবং রোশন গিরি। শুনানির পর সেই মামলার রায়দান স্থগিত রেখেছিল সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি অরুণ মিশ্র এবং নবীন সিং-এর দিভিশ্ন বেঞ্চ। বুধবার ডিভিশন বেঞ্চ ওই মামালাকে পাঠিয়ে দিল হাইকোর্টে। আদালত জানিয়েছে চার দিনের মধ্যে হাইকোর্টে আবেদন করতে পারেন দুই মোর্চা নেতা। হাইকোর্টকেও দ্রুত মামলার নিষ্পত্তি করার কথা বলেছে সুপ্রিম কোর্ট।
২০১৭ সালে পাহাড়ে বনধ ঘিরে ব্যাপক হিংসা ছড়ায়। ক্রমেই তা নেমে আসে তরাই ও ডুয়ার্সের দিকে। এরপরই পাহাড়ের তাবড় দুই নেতার নামে জারি হয় গ্রেফতারি পরোয়ানা। গ্রেফতারি এড়াতে গা ঢাকা দেয় গুরুং এবং রোশন। একবার বঙ্গ পুলিশের বিশেষ দল এই দুই নেতাকে ধরতে পৌঁছে গিয়েছিল সিকিমের নামচিতে। বিনা অনুমতিতে বাংলার পুলিশের সেখানে যাওয়া নিয়ে পবন চাম্লিং-এর সরকারের সঙ্গে নবান্নের কম সঙ্ঘাত হয়নি।
কিন্তু লোকসভা ভোট এসে গিয়েছে। গুরুং এবং রোশন গিরি নির্বাচনের প্রচারে অংশগ্রহণ করতে চান বলে আদালতে গিয়েছিলেন। বিজেপি এ বার দার্জিলিং আসনে প্রার্থী বদলেছে। এ বার সেখানে গেরুয়া শিবিরের প্রার্থী রাজু বিস্ত। গুরুংরা তাঁকেই সমর্থন জানিয়েছেন। উল্টোদিকে বিনয় তামাংরা মরিয়া, তৃণমূল প্রার্থী অমর রাইকে দিল্লি পাঠাতে। ১৮ এপ্রিল ভোট পাহাড়ে। তাই হাতে বেশি সময় নেই। এখন দেখার, হাইকোর্টে কবে আবেদন করেন গুরুংরা। আর আদালতই বা কী রায় দেয়।