দ্য ওয়াল ব্যুরো: বিজেপি নেতারা রোজই অভিযোগ করেন, রাজ্য সরকারের পুলিশ তাঁদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা সাজাচ্ছে। তাঁদের হেনস্থা করা হচ্ছে। এ নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন কেন্দ্রীয় বিজেপি নেতা অরবিন্দ মেনন। সেই মামলার শুনানিতে শুক্রবার দেশের শীর্ষ আদালত নির্দেশ দিয়েছে, কৈলাস বিজয়বর্গীয়, মুকুল রায়, অর্জুন সিং-সহ মোট পাঁচ জনের বিরুদ্ধে রাজ্য সরকার বা পুলিশ কোনও রকম কঠোর আইনি ব্যবস্থা নিতে পারবে না।
অরবিন্দ মেনন সুপ্রিম কোর্টে জানিয়েছিলেন এই নেতাদের বিরুদ্ধে বাংলার বিভিন্ন থানায় ১১৪টি মামলা দায়ের হয়েছে। সুপ্রিম কোর্ট এদিন বলেছে, পুলিশ চাইলে তদন্তের জন্য বড়জোর তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারে কিন্তু কোনও কঠোর পদক্ষেপ অর্থাত্ গ্রেফতার করা যাবে না।
২০১৯ সালে সরস্বতী পুজোর আগের রাতে দুষ্কৃতীদের গুলিতে খুন হয়েছিলেন নদিয়ার কৃষ্ণগঞ্জের তৃণমূল বিধায়ক সত্যজিত্ বিশ্বাস। কয়েক সপ্তাহ আগে সেই মামলার চার্জশিট পেশ হয়েছে। তাতে রয়েছে মুকুল রায়ের নাম।
ভাটপাড়া সমবায় ব্যাঙ্ক কেলেঙ্কারি মামলায় ব্যারাক্পুরের বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিংয়ের বাড়িতে একাধিকবার তল্লাশি চালিয়েছে পুলিশ। এই মামলাতেই অর্জুনের ভাইপোসৌরভ সিংকে গ্রেফতার করেছিল ব্যারাকপুর কমিশনারেট।পরে তিনি জামিন পান। পাঁচ জনের মধ্যে সৌরভের নামও রয়েছে। কৈলাস বিজয়বর্গীয়র বিরুদ্ধেও একাধিক মামলা রয়েছে।
বিজেপি নেতাদের বক্তব্য, তৃণমূল যে ভাবে ভাঙছে তাতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকার আরও হিংস্র হয়ে উঠতে পারে। গ্রেফতার করে জেলে ঢোকাতেও রেয়াত করবে না। তা ঠেকাতেই আদালতের হস্তক্ষেপ চাওয়া হয়েছিল।
রাজনৈতিক মহলের মতে, সুপ্রিম কোর্টের এই নির্দেশ একদিকে যেমন মুকুল রায়দের ক্ষেত্রে স্বস্তি তেমনই রাজ্য সরকারের কাছে ধাক্কা।
বিস্তারিত আসছে...