
শেষ আপডেট: 23 May 2020 05:59
মিশন ক্যাম্পাসের ভিতরের ছবিটা ভয়াবহ। উপড়ে গিয়েছে অসংখ্য বিদ্যুতের খুঁটি। গ্রীষ্মকাল কাল মানেই মিশনের গাছে গাছে আম, জাম, জামরুলের মেলা। কিন্তু সব গাছই প্রায় উপড়ে দিয়েছে উমফান। তা ছাড়াও বহু প্রাচীর গাছ মাটিতে মিশে গিয়েছে।
বোর্ড, টিনের শেড-- সবই প্রায় ঝড়ে উড়ে গিয়েছে। মিশনের কর্মীরা নিজেরা হাত লাগিয়েই যাতায়াতের মতো জায়গা করে নিয়েছেন। কিন্তু গোটা মিশন ক্যাম্পাসের ছবিটা ভয়াবহ। নরেন্দ্রপুরের প্রাক্তন ছাত্র, পূর্ব বর্ধমানের মেমারির বাসিন্দা অর্ণব চট্টোপাধ্যায় বলেন, "মিশনের ছবি দেখেছি। শিউরে উঠেছি সেসব দেখে। মনে হচ্ছে এই মিশনকে চিনিই না। জানি না কবে আবার আগের মতো সব হবে!"
মিশনের এক শিক্ষকের কথায়, যে পরিমাণ গাছের ক্ষতি হয়েছে তার মূল্যই কয়েক কোটি টাকা। গতকালই শিবপুর বোটানিক্যাল গার্ডেনের ছবি সামনে এসেছিল। এশিয়ার বৃহত্তম এই উদ্ভিদ উদ্যানে বহু প্রাচীন গাছ গোড়া থেকে উপড়ে গিয়েছে। গ্রেট ব্যানিয়ন ট্রি তথা বোটানিক্যাল গার্ডেনের প্রাচীনতম বটগাছটির একটি অংশও ঝড়ের দাপটে মাটিতে পড়ে গিয়েছে।
উমফান চলে যাওয়ার পর গোটা দুটো দিন কেটে গেলেও এখনও ধ্বংসলীলার সমস্ত ছবি সামনে আসেনি। অনেকের বক্তব্য, অধিকাংশ জায়গায় এখনও যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন। দুই চব্বিশ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুরের অনেক এলাকায় টেলি যোগাযোগ তো বটেই, এমনি সড়ক যোগাযোগও বিচ্ছিন্ন হয়ে রয়েছে। ফলে সার্বিক যে ক্ষতি হয়েছে এবারের ঘূর্ণিঝড়ে তা নজিরবিহীন।