ইমার্জেন্সি ও আউটডোর বন্ধ শালবনি সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে, দু’মাস বেতন না পাওয়ার অভিযোগ কর্মীদের
দ্য ওয়াল ব্যুরো: দু’মাস বেতন না পাওয়ার অভিযোগ তুলে পশ্চিম মেদিনীপুরের শালবনি সুপার স্পেশ্যালিটি হাসপাতালে কর্মবিরতি শুরু করলেন চিকিৎসক ও নার্স-সহ সব কর্মীরা। ফলে সমস্যায় স্বাস্থ্য পরিষেবা। পুরোপুরি কর্মবিরতির অভিযোগ অস্বীকার করেছেন নার্সরা।
শেষ আপডেট: 6 June 2020 09:58
দ্য ওয়াল ব্যুরো: দু’মাস বেতন না পাওয়ার অভিযোগ তুলে পশ্চিম মেদিনীপুরের শালবনি সুপার স্পেশ্যালিটি হাসপাতালে কর্মবিরতি শুরু করলেন চিকিৎসক ও নার্স-সহ সব কর্মীরা। ফলে সমস্যায় স্বাস্থ্য পরিষেবা। পুরোপুরি কর্মবিরতির অভিযোগ অস্বীকার করেছেন নার্সরা। এমনকি ইমার্জেন্সি বন্ধ থাকার অভিযোগও তাঁরা অস্বীকার করেছেন।
শালবনি সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছে জেএসডব্লিউ ( জেএসবি )। গত দু’মাস তারা ডাক্তার, নার্সিং কর্মী, প্যারামেডিক্যাল কর্মী-সহ অন্যদের বেতন দেয়নি বলে অভিযোগ। যদিও এব্যাপারে কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
এদিন সকাল থেকেই ইমার্জেন্সি বন্ধ করে দেন কর্মীরা। জেএসডব্লিউর ম্যানেজমেন্টের কর্মীদের ঘেরাও করে রেখেছেন অন্য কর্মীরা।
স্বাস্থ্যসাথী পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত কর্মী অতনু সিংহ বলেন, “সকাল থেকে ইমার্জেন্সির গেট পুরো বন্ধ ছিল। আউটডোর পরিষেবা, যেখানে প্রত্যেক দিন পাঁচশো থেকে এক হাজার মানুষ আসেন সেই পরিষেবাও বন্ধ। আমরা প্রশাসনিক কর্মী হলেও দুমাস কখনও ২৫ শতাংশ আবার কখনও পঞ্চাশ শতাংশ বেতন পেয়েছি। ম্যানেজমেন্ট ইচ্ছা করে ইমার্জেন্সি পরিষেবা বন্ধ করে দিয়েছে। আমরা চাইছি ইমার্জেন্সি পরিষেবা চালু থাকুক। সকালেই কয়েক জন জরুরি রোগীকে ফিরে যেতে হয়েছে এখান থেকে।”

যদিও ইমার্জেন্সি বন্ধ থাকার কথা অস্বীকার করেছেন নার্সরা। নার্সিং কর্মী অনামিকা শর্মা বলেন, “কাল মিটিংয়ের পরেই বুঝতে পারি কী হতে চলেছে। আচমকাই রোগীদের অন্যত্র পাঠানো শুরু হয়ে যায়। আমরা দেড় মাসের বেতন পাইনি। তবে ছুটি ছাড়া ডিউটি করে যাচ্ছি। ইমার্জেন্সি খোলা রয়েছে।” আর এক কর্মী অন্তরা ঘোড়ুই বলেন, “আমরা প্রশাসনের কাছে যখনই গেছি তখনই নতুন করে দিন বলেছেন। এখনও কোনও নির্দিষ্ট তারিখ জানাতে পারছেন না। এপ্রিল মাসে আমরা অর্ধেক বেতন পেয়েছি। আমরা ইমার্জেন্সি রোগীদের পরিষেবা দিচ্ছি। সেভাবে কোনও কর্মবিরতি বা ধর্মঘট করা হচ্ছে না।”
শনিবার থেকে এখানে কোভিড হাসপাতালের কাজ শুরু করার ব্যাপারে চিন্তাভাবনা করছে জেলা প্রশাসন। তার জন্য সরকার এদিনই হাসপাতাল অধিগ্রহণ করতে পারে বলে খবর। ফলে এখানকার কর্মীদের আশঙ্কা, যাঁরা এখনও বেতন পাননি তাঁরা হয়তো তা আর পাবেন না।