বর্ধমানে থানার উদ্যোগে ফুটবল, তিকিতাকায় নজর কাড়লেন আদিবাসী মেয়েরা
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বর্ধমান সদর থানার পরিচালনায় স্পন্দন স্টেডিয়ামে সৌহার্দ্য কাপ ফুটবল টুর্নামেন্টে নজর কাড়লেন আদিবাসী মহিলা খেলোয়াড়রা। মঙ্গলবার টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা ছিল। ফাইনাল খেলার আগে মহিলাদের ফুটবল ম্যাচ হয় ওই একই মাঠে।
এদিন মেয়েদ
শেষ আপডেট: 12 February 2020 08:10
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বর্ধমান সদর থানার পরিচালনায় স্পন্দন স্টেডিয়ামে সৌহার্দ্য কাপ ফুটবল টুর্নামেন্টে নজর কাড়লেন আদিবাসী মহিলা খেলোয়াড়রা। মঙ্গলবার টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা ছিল। ফাইনাল খেলার আগে মহিলাদের ফুটবল ম্যাচ হয় ওই একই মাঠে।
এদিন মেয়েদের ফুটবল খেলায় মুখোমুখি হয় বেঙ্গল স্পোর্টস ফর ডেভেলপমেন্ট ও মির্জাপুর ডাঙাপাড়া সিধু কানহু গাঁওতা। প্রথম থেকেই ছোট ছোট পাশ খেলে ম্যাচের রাশ হাতে নেয় মির্জাপুর ডাঙাপাড়া সিধু কানহু গাঁওতা। স্প্যানিশ ফুটবলে ছোট ছোট পাসের খেলাকে বলে তিকিতাকা। আদিবাসী মহিলাদের সেই স্টাইলে খেলা দেখে অনেকেই অবাক হয়ে যান।
প্রথম অর্ধের শেষদিকে গোল করেন মির্জাপুর ডাঙাপাড়া সিধু কানহু গাঁওতাকে এগিয়ে দেন মন্দিরা হাঁসদা। কিছুক্ষণের মধ্যে আবার তিনিই দ্বিতীয় গোলটিও করেন। ডানদিকে শিখা হাঁসদার বাড়ানো দুরন্ত ইনসুউং ফ্লোটার নামিয়ে চকিতে ঘুরে গিয়ে অনবধ্য গোলটি করেন মন্দিরা। এরপর দ্বিতীয়ার্ধেও একই ছবি। এবার গোলদাতার খাতায় নাম লেখান শিখা হাঁসদা, যাঁর দেওয়া পাস থেকে গোল করেন মন্দিরা। দ্বিতীয়ার্ধের মাঝামাঝি সময়ে দূর থেকে দুরন্ত ভলিতে গোল করেন যমুনা কিস্কু। ৪-০ গোলে ম্যাচ জিতে নেয় মির্জাপুর ডাঙাপাড়া সিধু কানহু গাঁওতা। দলের কোচ বিধান মুর্মু বলেন, “আদিবাসী মেয়েদের নিয়ে আমরা খেলার এই দল চালাই। এই জয় আমাদের কাছে বেশ বড় ব্যাপার।”

ছেলেদের ফাইনালে এদিন মুখোমুখি হয় জাগরণী সঙ্ঘ ও শিবশঙ্কর স্পোর্টিং ক্লাব। নির্ধারিত সময়ে খেলা গোলশূন্য থাকায় ম্যাচ গড়ায় টাইব্রেকারে। টাইব্রেকারে ৪-৩ গোলে জয়ী হয় জাগরণী।
পুরস্কার বিতরণী সভা উপস্থিত ছিলেন তিন প্রাক্তন ফুটবলার – মিহির বসু, উলগাথন ও বলাই মুখোপাধ্যায়। ছিলেন রাজ্যের মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ, জেলা পরিষদের সভাধিপতি শম্পা ধাড়া, অরিতিক্ত জেলাশাসক অরিন্দম নিয়োগী, জেলা পুলিশসুপার ভাস্কর মুখোপাধ্যায়, বর্ধমান থানার আইসি পিন্টু সাহা প্রমুখ।
খেলার মাধ্যমে বিভিন্ন থানা এখন জনসংযোগ কর্মসূচি পালন করেছে। এই ফুটবলও তেমনই এক উদ্যোগ। এলাকাভিত্তিক এই ধরনের খেলা ক্রমেই জনপ্রিয় হচ্ছে।