দ্য ওয়াল ব্যুরো: রেলের সহযোগিতায় এবার পিপিই (পার্সোনাল প্রটেকশন ইকুইপমেন্ট) কিট বানাচ্ছে দক্ষিণ-পূর্ব রেলের মহিলা ব্রিগেড। সাউথ ইস্টার্ন রেলওয়ে উইমেন্স ওয়েলফেয়ার অর্গানাইজেশনের উদ্যোগে এই কাজ চলছে খড়্গপুরে। ইতিমধ্যেই এক হাজার কিটের বরাত পেয়েছে তারা। এর মধ্যে দুশোটি কিট তৈরি করা হয়ে গেছে বলে জানান অর্গানাইজেশনের সভাপতি প্রিয়া প্রধান। তিনি এদিন বলেন, “আইসিএমআরের নির্দেশ মতো ও তাদের ছাড়পত্র নিয়েই এই কাজ করছে রেল। রেলের পক্ষে এই কাজ করে দিচ্ছে খড়্গপুরের মহিলা ব্রিগেড।” পাশাপাশি এই ব্রিগেড তৈরি করছে মাক্স-সহ বিভিন্ন সামগ্রী।
এই পিপিই কিট রেলের বিভিন্ন হাসপাতালের ডাক্তার ও নার্সদের দেওয়া হবে বলে জানান প্রিয়া প্রধান। দক্ষিণ-পূর্ব রেলের অধীন বিভিন্ন হাসপাতালে এই জিনিসগুলি পৌঁছে যাবে বলে তিনি জানিয়েছেন যা করোনার বিরুদ্ধে যুদ্ধে সামিল ডাক্তার ও নার্সদের কাজে লাগবে।
এর আগে বিভিন্ন স্টেশনের কাছে আইসোলেশন কামরা প্রস্তুত করে রেখেছে পূর্ব রেল। প্রথম পর্যায়ে ৩৩৮টি কোচে তৈরি হয়েছে আইসোলেশন ওয়ার্ড। এগুলি তৈরি হয়েছে লিলুয়া ওয়ার্কশপ, টিকিয়াপাড়া কোচিং ইয়ার্ড-সহ রেলের বিভিন্ন ইয়ার্ড ও কারখানায়। প্রত্যেকটি কোচের বাইরে লেখা রয়েছে ‘কোভিড আইসোলেশন কোচ।’ এইসব কোচের প্রতিটি জানলা জাল দিয়ে ঘেরা হয়েছে যাতে মশা না ঢুকতে পারে। ভিতরের অংশেও বদল করা হয়েছে। থ্রি-টিয়ার স্লিপারের মাঝের আসন খুলে ফেলা হয়েছে যাতে শুতে বা বসতে অসুবিধা না হয়। নতুন চাদর ও বালিশ দেওয়া হয়েছে। আলাদা করে একটি বাথরুম করা হয়েছে যেখানে রয়েছে স্নান করার জন্য সাওয়ার। অক্সিজেন সিলিন্ডার রাখার জায়গা করা হয়েছে। জীবাণুমুক্ত রাখার জন্য প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা রয়েছে এইসব কোচে।
নজরুল মঞ্চ এবং সুভাষ ইনস্টিটিউটকে আইসোলেশন ওয়ার্ড হিসাবে তৈরি করেছে রেলের আসানসোল ডিভিশন। তেরোটা কোচকে আইসোলেশন কোচ হিসাবে তৈরি করছে যার অধিকাংশই প্রস্তুত হয়ে গেছে।