
শেষ আপডেট: 19 January 2019 10:02
এ দিন বিমান উঠতে দেরি করায় অনেক পরে ব্রিগেডে পৌঁছেছেন মল্লিকার্জুন। মঞ্চে উঠেই তিনি সনিয়া গান্ধীর বার্তা পড়ে শোনান। যে বার্তায় সনিয়া লিখেছেন, শুধুই মোদী বিরোধিতার কথা। বলেছেন, দেশের অবস্থা ভয়াবহ। তরুণ প্রজন্মের সামনে কাজের সুযোগ নেই। কৃষক চাষের দাম পাচ্ছে না। মানুষকে আর্থিক ভাবে ঠকানো হচ্ছে। গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানকে খাটো করা হচ্ছে। এবং আঘাত হানা হচ্ছে দেশের বহুত্ববাদের উপর। কংগ্রেসের প্রাক্তন সভানেত্রীর কথায়, “তাই এ বারের লোকসভা ভোট কোনও অংশেই সাধারণ কোনও নির্বাচন নয়। দেশে গণতান্ত্রিক পরিস্থিতি কায়েম রাখার জন্য চ্যালেঞ্জ। ধর্মনিরপেক্ষ ভাবধারা ধরে রাখার চ্যালেঞ্জ। মোদী সরকারের দম্ভের বিরুদ্ধে লড়াই। এই লড়াইয়ের জন্য সবাইকে শুভেচ্ছা রইল।”
স্পষ্টতই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বা তৃণমূল সম্পর্কে কোনও মন্তব্য করেননি সনিয়া। আর তাতেই হাঁফ ছেড়েছেন সোমেন মিত্র-আবদুল মান্নানরা। সনিয়ার বার্তা পাঠ করার পর মল্লিকার্জুন খার্গেও তাঁর সংক্ষিপ্ত বক্তৃতায় শুধু বিজেপি বিরোধিতাতেই নিজের কথা সীমাবদ্ধ রাখেন।
প্রসঙ্গত, ব্রিগেডের সভার এ দিন বিকেলে প্রদেশ কংগ্রেসের দফতরে খার্গের সাংবাদিক বৈঠক করার কথা। সূত্রের খবর, সে জন্য খার্গে এবং হাইকম্যান্ডকে রাজি করিয়েছেন রাজ্য কংগ্রেসের নেতারা। এবং তাঁরা খার্গেকে দিয়ে এ কথা ফের বলানোর চেষ্টা করবেন, মোদী সরকারের বিরুদ্ধে বিরোধী ঐক্যের বার্তা দিতেই ব্রিগেডের মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন তিনি। তার মানে এই নয় রাজ্য রাজনীতিতে তৃণমূলকে সমর্থন করছে কংগ্রেস।
তবে রাজনীতিতে ধারনাটাই শেষ কথা। খার্গে এ কথা বললেও, ব্রিগেডের মঞ্চে কংগ্রেসের উপস্থিতিটাই থেকে যাবে। তৃণমূল নেতাদের বক্তব্যও তাই। তাঁদের মতে, ব্রিগেডের মঞ্চে মল্লিকার্জুন খার্গে এবং অভিষেক মনু সিঙ্ঘভির উপস্থিতিই প্রমাণ করে যে বাংলায় তৃণমূলই পারে বিজেপি-কে রুখে দিতে। আর কারও সেই ক্ষমতা নেই। এবং শনিবার ব্রিগেড সমাবেশের ছবিটা দেখার পর বাংলার মানুষের কাছে সেই বার্তা চলে গিয়েছে।
আরও পড়ুন : মমতা প্রধানমন্ত্রী প্রার্থী হলে, কংগ্রেস সমর্থন করবে? জবাবে কী বললেন মল্লিকার্জুন
https://www.four.suk.1wp.in/news-state-mallikarjun-evades-question-on-mamatas-primeministership/