দ্য ওয়াল ব্যুরো: প্রতি বছরের মতো এ বছরেও ঢল নামল মুর্শিদাবাদের কিরীটেশ্বরী কালী মন্দিরে। দূরদুরান্ত থেকে পুজো দিতে এলেন অসংখ্য মানুষ। মুর্শিদাবাদের দহপাড়া রেল স্টেশন থেকে পাঁচ কিলোমিটার দূরে এই মন্দির। এই দেবী ও মন্দিরের ব্যাপারে জেনে নিন গুরুত্বপূর্ণ তথ্যগুলি-
১. সতীর ৫১ পীঠের অন্যতম এই পীঠ। এখানে সতীর মুকুট বা কিরীট পড়েছিল বলে জানা যায়। সেই কারণে দেবীকে অনেকে ‘মুকুটেশ্বরী’ও বলেন।
২. এখানে দেবী শিলাস্বরূপা। কোনও নিয়তাকার মূর্তি এখানে নেই। কোনও ছবিও এখানে পূজিত হয় না। একটি লাল রঙের শিলাকেই এখানে মাতৃজ্ঞানে পুজো করা হয়।
৩. শিলাটি আচ্ছাদিত থাকে কাপড়ে। প্রতি বছর দুর্গা পুজোর অষ্টমীর দিন এই আবরণটি পরিবর্তন করা হয়। ওই দিনও বিপুল ভক্ত সমাগম হয় এখানে।
৪. সতীর কিরীট, যার মহিমাতেই এই শক্তিপীঠের উৎপত্তি, তা রানি ভবানীর গুপ্তমঠে সুরক্ষিত রয়েছে। গুপ্তমঠ দেবী মন্দিরের কাছেই অবস্থিত।
৫. এখন যেখানে পুজো হয়, সেটি নবনির্মিত মন্দির। প্রাচীন মন্দিরের ধ্বংসাবশেষও নবনির্মিত মন্দিরের সামনেই।
৬. মাঘ মাসের রটন্তি অমাবস্যায় কিরীটেশ্বরী মায়ের বিশেষ পুজো হয়। পৌষ মাসের প্রতি মঙ্গলবার এখানে মেলা বসে। এই মেলা রাজা দর্পনারায়ণের কাল থেকে বসছে বলে জানা যায়।
৭. কথিত আছে এক সময়ে রাজা রামকৃষ্ণ রায়ের মতো সিদ্ধতান্ত্রিক এখানে পঞ্চমুণ্ডির আসনে সাধনা করে সিদ্ধিলাভ করেছিলেন।
পড়ুন, দ্য ওয়ালের পুজো ম্যাগাজিনে প্রকাশিত গল্প…..