
শেষ আপডেট: 4 February 2021 13:02
বিষ্যুদবার পুরুলিয়ার জয়পুরে জনসভা ছিল শুভেন্দুর। ওই সভায় তিনি নিজেই এ প্রসঙ্গ উত্থাপন করেন। তার পর বলেন, “যে যা পারে গল্প লিখছে। বলছে যে, আমি নাকি দিল্লিতে অমিত শাহকে বলেছি নন্দীগ্রামে আমার ভাইকে প্রার্থী করতে! কেন বলব? পার্টি যদি বলে আমিই লড়ব।”
এখানেই থামেননি তিনি। এরপর শুভেন্দু বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারাতে বিখ্যাত প্রার্থী দরকার নাকি? নির্যাতিতা রমণী রাধারানি আড়িই যথেষ্ট!”
নন্দীগ্রাম আন্দোলনের সময় যে যে ঘটনা তোলপাড় ফেলে দিয়েছিল তার মধ্যে রাধারানি আড়ির উপর নির্যাতনের ঘটনা অন্যতম। জননী ইটভাটায় তাঁর উপর পাশবিক নির্যাতন চালানো হয়েছিল। অভিযোগ, সিপিএমের লোকজনই ওই ঘটনা ঘটিয়েছিল।
নন্দীগ্রাম যখন এবার হাইভোল্টেজ কেন্দ্র হতে চলেছে, তখন শুভেন্দু এদিন বোঝাতে চাইলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নন্দীগ্রাম থেকে বিচ্ছিন্ন। গত কয়েক বছরে তিনি নন্দীগ্রাম মুখো হননি। তাঁর বিরুদ্ধে যে হেভিওয়েট প্রার্থী দিতে হবে এমনও নয়। নন্দীগ্রামের কোনও ভূমিপুত্রই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পরাস্ত করতে যথেষ্ট।
মমতা যেদিন তেখালির সভায় বড় ঘোষণাটি করেছিলেন সেদিন বিকেলেই রাসবিহারীর সভা থেকে শুভেন্দু চ্যালেঞ্জ ছুড়ে বলেছিলেন, হাফ লাখ ভোটে মাননীয়াকে হারাব। না হলে রাজনীতি ছেড়ে দেব। শুভেন্দু এও বলেছেন, মাননীয়া দু’জায়গায় প্রার্থী হলে চলবে না। শুধু নন্দীগ্রামেই লড়তে হবে।
তারপর নন্দীগ্রামের জন্য বিশেষ প্রস্তুতি শুরু করেছে তৃণমূল। সমীক্ষা করার জন্য সেখানে সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের মতো বর্ষীয়ান নেতার যাওয়ার কথা ছিল। তিনি যাননি। তবে দফায় দফায় সেখানে যাচ্ছেন রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সী। পরিস্থিতি যখন এমনই তখন শুভেন্দু এদিন বুঝিয়ে দিতে চাইলেন, বিজেপির যে কেউ দিদিকে হারাতে পারেন। তার জন্য ওজনদার প্রার্থীর দরকার নেই।