বিতাড়িত হয়ে মহিষাদল রাজবাড়ির ভাঙা দালানে কেটেছে পুরো লকডাউন, প্রশাসনের সহায়তায় বাড়িতে ঢুকলেন বৃদ্ধ
দ্য ওয়াল ব্যুরো: দ্য ওয়ালের খবরের জেরে অবশেষে বাড়িতে ফিরতে পারলেন পূর্ব মেদিনীপুরের মহিষাদল রাজবাড়ির ভাঙা দালানে কয়েক মাস কাটানো বৃদ্ধ গঙ্গাধর সামন্ত। অভিযোগ, আধবেলা খাওয়া ও থাকার জন্য দৈনিক তিরিশ টাকা করে দিতে না পারায় গঙ্গাধরকে বাড়ি থে
শেষ আপডেট: 9 June 2020 10:29
দ্য ওয়াল ব্যুরো: দ্য ওয়ালের খবরের জেরে অবশেষে বাড়িতে ফিরতে পারলেন পূর্ব মেদিনীপুরের মহিষাদল রাজবাড়ির ভাঙা দালানে কয়েক মাস কাটানো বৃদ্ধ গঙ্গাধর সামন্ত। অভিযোগ, আধবেলা খাওয়া ও থাকার জন্য দৈনিক তিরিশ টাকা করে দিতে না পারায় গঙ্গাধরকে বাড়ি থেকে বের করে দিয়েছিলেন তাঁর ছেলে।
এই খবর দেখার পরেই নড়েচড়ে বসেন প্রশাসনের কর্তা থেকে পঞ্চায়েত সমিতির সহ-সভাপতি – সকলেই। খবরটি নাড়া দেয় সহৃদয় মানুষজনের মনকে। স্থানীয় মানুষ ও প্রশাসনের চেষ্টায় খবর প্রকাশের পরের দিনই বাড়ির লোক এসে ওঁনাকে নিয়ে যেতে বাধ্য হন। অবশ্য না নিয়ে যাওয়ার কোনও কারণ নেই। টাকার জন্যই তাড়িয়ে দিয়েছিল ছেলে আর স্থানীয় মানুষ জন টাকা পয়সা সাহায্যও করেছেন বৃদ্ধকে।

প্রশাসনের তরফে মহিষাদল পঞ্চায়েত সমিতির সহ-সভাপতি তিলক চক্রবর্তী তাঁকে কুড়ি হাজার টাকা এবং রেশন হিসাবে চাল ও ডাল দেন। পাশাপাশি ওঁনাকে মাসিক এক হাজার টাকা ভাতা এবং বাড়ি মেরামতের প্রয়োজন হলে তাও করে দেবেন আশ্বাস দিয়েছেন পঞ্চায়েত সমিতির সহ-সভাপতি। এই খবরের জন্য তিনি দ্য ওয়ালকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন।
৮ জুন দ্য ওয়ালে প্রকাশিত হয় বৃদ্ধ গঙ্গাধর সামন্তের কথা। এক বেলা খাওয়া ও রাত কাটানোর জন্য দিনে তিরিশ টাকা দিতে না পারায় তাঁকে বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দিয়েছিল ছেলে। প্রথমে দিনে তিরিশ টাকা জোগাড় করার জন্য স্কুলে স্কুলে আইসক্রিম ফেরি করছিলেন মাথায় বাক্স চাপিয়ে। লকডাউনের ফলে সেসব বন্ধ হয়ে যাওয়ায় রোজগার বন্ধ হয়ে যায়। ফলে বাড়ি থেকে বিতাড়িত হতে হয়।

মঙ্গলবার তিনি আবার বাড়ি ফিরতে পেরেছেন। তবে এদিনও সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেননি তাঁর ছেলে ও পরিবারের অন্য কেউ।