
শেষ আপডেট: 27 July 2021 07:37
* রিপোর্ট দেখে মনে হচ্ছে, এর পিছনে রাজনৈতিক অভিসন্ধি রয়েছে। রাজ্যের বিরুদ্ধে ইচ্ছাকৃত ভাবেই নেতিবাচক রিপোর্ট দেয়া হয়েছে। খোঁজ খবর নিয়ে জানা গিয়েছে, কমিটির মেম্বারদের মধ্যে কয়েকজনের সঙ্গে বিজেপির যোগাযোগ রয়েছে। অনেকের উপর কেন্দ্রের সরাসরি প্রভাব রয়েছে। যাদের কাছ থেকে নিরপেক্ষ তদন্ত আশা করা যায় না।
স্বরাষ্ট্র সচিব এই বক্তব্যের সপক্ষে। কমিটি সদস্যদের কয়েকজনের অতীত উল্লেখ করেছেন। বলেছেন, রাজীব জৈন বিজেপি সরকারের আমলে ইন্টেলিজেন্স ব্যুরো ডিরেক্টর হিসেবে কাজ করেছেন। এমনকি যখন গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সেই সময় তিনি আহমেদাবাদের ইন্টেলিজেন্স ব্যুরো প্রধান ছিলেন।
আতিফ রশিদ: যিনি বিজেপির টুইটার হ্যান্ডেলের দায়িত্বে ছিলেন। এমনকি চলতি বছরে দিল্লির পুরভোটে বিজেপি হয়ে লড়াই করেছেন।
শ্রীমতী রাজুবেন দেশাই: ২০১৭ সালে গুজরাটের বিজেপির প্রকল্প বেটি বাঁচাও বেটি পড়াও- এর অফিসার ইন চার্জ ছিলেন।
স্বরাষ্ট্র সচিবের বক্তব্য, রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণীত, সম্পূর্ণ ভুল রিপোর্ট জমা দেওয়া হয়েছে। মানবাধিকার কমিশনের সদস্যদের জন্য ৭ লক্ষ ৯৯ হাজার ৩৮২ টাকা খরচ হয়েছে। দেওয়া হয়েছে নিরাপত্তাও।
৩৪২৮ পাতার রিপোর্টে কোনো প্রমাণ ছাড়া অনুমানের উপর ভিত্তি করে তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। একাধিক রাজনৈতিক নেতাদের অপরাধী বলা হয়েছে। অথচ কিসের ভিত্তিতে এই দাবি তার কোনো প্রমাণ উল্লেখ করা হয়নি।
রিপোর্টে উল্লেখিত ২৫৩টি কেসের কোনটির ক্ষেত্রে কী পদক্ষেপ।রাজ্য পুলিশ প্রশাসন করেছে তা তুলে ধরেছেন স্বরাষ্ট্র সচিব। গত সপ্তাহে পুলিশ সুপারদের সঙ্গে ভিডিও বৈঠক করে বিস্তারিত রিপোর্ট তলব করেছিলেন স্বরাষ্ট্র সচিব।