দ্য ওয়াল ব্যুরো: অনেক দিন পর। দেখা হলো সবার সঙ্গে সবার। স্থান বারাসত আদালত। বিষয়- সারদা মামলা।
হেফাজতে থাকা সুদীপ্ত সেন, দেবযানী মুখোপাধ্যায়, রমেশ গান্ধী থেকে জামিন পাওয়া মদন মিত্র, কুণাল ঘোষ, ইস্টবেঙ্গল কর্তা দেবব্রত সরকার, প্রাক্তন আইপিএস রজত মজুমদার। দেখা যেমন হলো কথাও হলো। শুধু এ দিন কোর্টে উপস্থিত ছিলেন না তৃণমূলের প্রাক্তন রাজ্যসভার সাংসদ তথা মোহনবাগান কার্যকরী সমিতি থেকে পদত্যাগী কর্তা সৃঞ্জয় বসু।
কোর্টরুম থেকে বাইরে আসার সময় বারাসত আদালতের দালানে রাখা কাঠের আলমারির পাশে দেখা গেল সবুজ কুর্তি, সাদা লেগিংস, ঠাসবুনোট ক্লিপ দিয়ে বাঁধা বিনুনি, টকটকে লাল লিপস্টিকে শোভিত একদা সুদীপ্ত সেনের রাইটহ্যান্ড দেবযানী মুখোপাধ্যায় কথা বলছেন তৃণমূলের প্রাক্তন রাজ্যসভার সাংসদ কুনাল ঘোষের সঙ্গে।
কিন্তু কী কথা?
কুণাল বলেন, “অনেকদিন তো হলো। ও ওর সমস্যার কথা বলছিল।”
লোকসভার প্রাক্তন স্পিকার সোমনাথ চট্টোপাধ্যায়ের জীবনাবসানের কারণে এ দিন কর্মবিরতি ছিল বারাসত আদালতে। তাই সারদা মামলার শুনানি থাকলেও তা সম্পূর্ণ ভাবে হয়নি।
এর আগেই জেল সূত্রে খবর ছিল, জেলের ভিতর নাকি রূপ চর্চা করেন দেবযানী। এ দিন তাঁকে দেখে অবাক হয়ে যান আদালত চত্বরে উপস্থিত অনেকেই। অনেককেই বলতে শোনা গেল, “দেখে বোঝাই যায় না এত দিন জেল খাটছে।”
এ দিন দেবযানী মুখোপাধ্যায়ের আইনজীবী অয়ন চক্রবর্তী আদালতে বলেন, ভিন রাজ্যে এবং বিভিন্ন জেলায় সারদার মমলার জন্য তাঁর মক্কেলকে শারীরিক এবং মানসিক ধকল পোয়াতে হচ্ছে। তিনি আবেদন করেন, মামলাগুলি যেন এক জায়গায় আনা হয়।
এ দিন সিবিআই-এর কৌঁসুলি সারদা কাণ্ডে অন্যতম অভিযুক্ত অসমের সদানন্দ গগৈ-এর বিরুদ্ধেও অভিযোগ তোলেন। সিবিআই-এর অভিযোগ সদানন্দ জামিনের শর্ত মানছেন না। তাঁকে আদালত বলেছিল, তিনি গুয়াহাটি শহরের বাইরে যেতে পারবেন না। শুধু কলকাতায় এসে মামলার হাজিরা দিতে পারবেন। কিন্তু তিনি অসমের অন্যত্র ঘুরে বেড়াচ্ছেন বলে অভিযোগ করেন তিনি। আদালত জানিয়েছে পরবর্তী শুনানি হবে ১৩ সেপ্টেম্বর।
https://www.youtube.com/watch?v=dmGQ6UaKfcQ