দ্য ওয়াল ব্যুরো: করোনা মোকাবিলায় নতুন করে উদ্যোগী হলেন নিউটাউনের জগৎপুর ও জ্যোতিনগর এলাকার মানুষ। এই ঘন জনবসতি এলাকার মূল রাস্তাগুলিতে কোলাপসিবল গেট লাগিয়ে দিলেন এলাকার বাসিন্দারা। নিজেদের নিরাপত্তার জন্য ২৪ ঘণ্টা পাহারার ব্যবস্থাও করেছেন বাসিন্দারা যাতে অপরিচিত লোক তো বটেই, অন্য এলাকার লোকও এই জায়গায় ঢুকতে না পারেন। পালা করে সেই দায়িত্ব সামলাচ্ছেন এলাকার লোকজনই।
এখানে বেশ কয়েকটি গলির মুখে লোকজন কোলাপসিবল গেট বসিয়ে দিয়েছেন। বাইরের এলাকার লোকজনকে এই এলাকা দিয়ে যাতায়াত করতে দেখেছেন বলেই তাঁদের এই পদক্ষেপ। তাঁরা চাইছেন না যে লকডাউন চলাকালীন কেউ এই এলাকায় ঢুকুন বা এই এলাকার রাস্তা ব্যবহার করুন। এলাকার লোকজন দেখছেন যে এখানে অকারণ অনেকে যাতায়াত করছেন ও আড্ডা দিচ্ছেন। একে তাঁরা অবৈধ জমায়েত হিসাবেই দেখছেন। রাজ্যে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ক্রমেই বেড়ে চলায় তাঁরা বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করছেন।
দেরিতে হলেও জাতীয় সড়ক ও গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা এবং জনবহুল বাজারের স্যানিটাইজেশনের কাজ শুরু করল বারাসত পুরসভা। শুক্রবার সকাল থেকে জঞ্জাল অপসারণ বিভাগের পুর পারিষদ তাপস দাশগুপ্ত নিজে দাঁড়িয়ে থেকে এই কাজ করান। দমকলের ইঞ্জিনের সাহায্যে রাসায়নিক মিশ্রিত জল বিভিন্ন রাস্তায় ছড়াতে থাকেন। তিনি জানান যে বারাসতের পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ মোড়, দুটি জাতীয় সড়কের অংশ ও তিনটি রাজ্য সড়কের অংশ বারাসত পুরসভা এলাকার মধ্যে রয়েছে। এই সব অঞ্চলেই রাসায়নিক ছড়ানো হচ্ছে।
এর আগে লকডাউন শুরু হওয়ার কয়েক দিনের মধ্যেই উত্তর ২৪ পরগনা জেলা পুলিশের উদ্যোগেও এই কাজ করা হয়েছিল। তখন মধ্যমগ্রাম ও বারাসতের প্রধান রাস্তায় জলকামানের সাহায্যে রাস্তা জীবাণুমুক্ত করেছিল পুলিশ।