Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
ভোটের ডিউটিতে কড়া নিয়ম! প্রিসাইডিং ও সেক্টর অফিসারদের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশিকা কমিশনের'বন্ধু' মোদীকে ফোন ট্রাম্পের! ৪০ মিনিট ধরে হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী আলোচনা হল?লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীরগরমে মেজাজ হারালেন কর্মীরা! চুঁচুড়ায় নিজের দলের লোকেদেরই বিক্ষোভের মুখে দেবাংশুবার্নল-বোরোলিন বিতর্ক, ‘লুম্পেনদের’ হুঁশিয়ারি দিয়ে বিপাকে ডিইও, কমিশনকে কড়া চিঠি ডেরেক ও’ব্রায়েনের

জোগান ঠিক রাখতে দিন-রাত এক করে খাটছেন চালকলের শ্রমিকরা, তাঁদের পাশে মিলের মালিকরাও

দ্য ওয়াল ব্যুরো: ঘরবন্দি মানুষজনের জন্য চালের জোগান দিতে রাতদিন এক করে খেটে চলেছেন চাল মিলের শ্রমিকরা। করোনার সঙ্গে লড়াইয়ে এই সব শ্রমিকরাই এখন ভরসা কারণ এঁরাই হলেন মানুষকে খাদ্য জোগান দেওয়ার কারিগর। করোনা আতঙ্কে মানুষের পাশে সরকার। আগামী ছ

জোগান ঠিক রাখতে দিন-রাত এক করে খাটছেন চালকলের শ্রমিকরা, তাঁদের পাশে মিলের মালিকরাও

শেষ আপডেট: 14 April 2020 06:48

দ্য ওয়াল ব্যুরো: ঘরবন্দি মানুষজনের জন্য চালের জোগান দিতে রাতদিন এক করে খেটে চলেছেন চাল মিলের শ্রমিকরা। করোনার সঙ্গে লড়াইয়ে এই সব শ্রমিকরাই এখন ভরসা কারণ এঁরাই হলেন মানুষকে খাদ্য জোগান দেওয়ার কারিগর। করোনা আতঙ্কে মানুষের পাশে সরকার। আগামী ছ’মাস রেশনের মাধ্যমে নির্দিষ্ট কার্ডের গ্রাহকদেপ বিনা মূল্যে চাল দেবে রাজ্য সরকার তাই মিলগুলিতে দিন রাত এক করে চলছে চাল তৈরির কাজ। পূর্ব মেদিনীপুরের জনসংখ্যা প্রায় পঞ্চাশ লক্ষ। এত মানুষকে চাল দিতে জেলার মিলগুলিতে দিন রাত এক করে চলছে কাজ। পূর্ব মেদিনীপুর জেলার ২৭টি চালকলে সরকারি নির্দেশিকা মেনেই চলছে চাল উৎপাদন। লকডাউনে কাজের যাতে কোনও ব্যাঘাত না ঘটে তার জন্য রাজ্য সরকার সমস্ত রকম সাহায্য করছে। শ্রমিকদের যাতে কারখানায় যেতে কোনও অসুবিধা না হয় তার জন্য খাদ্য দফতর থেকে পরিচয়পত্র করে দেওয়া হয়েছে। জেলাশাসক পার্থ ঘোষ বলেন, “শ্রমিকদের যাতে যাতায়াতের কোনও সমস্যা না হয় সেজন্য বিডিও অফিস থেকে পরিচয়পত্রের ব্যবস্থা করে দেওয়া হয়েছে।” মিল চালাতে বেশ কিছু যন্ত্রাংশের প্রয়োজন হয়, রাজ্য সরকারের সহযোগিতার সেজন্যও চালকলগুলিকে সমস্যায় পড়তে হয়নি। ইতিমধ্যে প্রায় দু’ মাসের চাল মিল থেকে নিয়ে গিয়ে খাদ্য দফতরের গুদামে মজুত রাখা হয়েছে। যে সমস্ত শ্রমিক বাড়ি যেতে পারছেন না মিল মালিকরা নিখরচায় তাঁদের খাওয়া-দাওয়ার ব্যবস্থা করে দিয়েছেন। শ্রমিকরাও এই আপৎকালীন পরিস্থিতিতে দিন রাত এক করে কাজ করে যাচ্ছেন। বিশ্ব জুড়ে করোনা মহামারীর আকার নেওয়ার ফলে সারা দেশে স্বাভাবিক জীবন স্তব্ধ। লকডাউনের ফলে মানুষ এখন গৃহবন্দি, দেশে এখন কার্যত অচলাবস্থা। এই পরিস্থিতেতে সাধারণ মানুষের যাতে খাবারের কোনও সমস্যা না হয় তার জন্য বিনামূল্যে চাল দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিভিন্ন রাজ্যের সরকার। পশ্চিমবঙ্গও ব্যতিক্রমী নয়। রেশন ব্যবস্থার মাধ্যমে মাসে চাল ও গম মিলিয়ে মাথাপিছু পাঁচ কেজি করে দেওয়া হবে। সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত এই সুবিধা দেওয়া হচ্ছে।

```