
শেষ আপডেট: 19 June 2020 06:38
গত ৭ জুন ভেঙে পড়ে বর্ধমান স্টেশনের গাড়ি বারান্দার ফলস সিলিং। দুর্ঘটনায় আহত হন এক জন পরিযায়ী শ্রমিক। এর আগে এ বছরই আরও একবার দুর্ঘটনা ঘটেছিল এই বর্ধমান স্টেশনে। ৪ জানুয়ারি হঠাৎই হুড়মুড় করে ভেঙে পড়েছিল বর্ধমান রেল স্টেশনের একাংশ। ওই অংশটি দেড়শো বছরের বেশি পুরনো। রাত আটটার পর থেকে একের পর এক ভেঙে পড়তে থাকে পুরনো গাড়ি- বারান্দা এবং প্রধান প্রবেশ পথ লাগোয়া একাংশ। এই অংশেই ছিল অনুন্ধান অফিস বা এনকোয়ারি।
৪ জানুয়ারি শনিবার ছিল তার উপরে রাত হয়ে যাওয়ায় যাত্রীর ভিড় কম ছিল। তবুও সেদিন এই দুর্ঘটনার জেরে এক যাত্রীর মৃত্যু ঘটে। তার পরে ৭ জুন ফের স্টেশনের গাড়ি বারান্দার ফলস সিলিং খসে পড়ে সেই বর্ধমান স্টেশনেই।
বর্ধমান স্টেশনে প্রায় তিন সপ্তাহ ধরে নিয়মিত ভাবে শ্রমিক স্পেশাল ট্রেন ঢুকছে। সেজন্য গাড়ি বারান্দায় পরিযায়ী শ্রমিকদের নাম নথিভুক্ত করার ক্যাম্প করা হয়েছিল। সেখানে এই দুর্ঘটনা ঘটে। একজন আহত হওয়া ছাড়া সেদিন অবশ্য বড় কোনও দুর্ঘটনা ঘটেনি।
মাস ছ'য়েক আগে মেরামতের কাজ চলাকালীন স্টেশনের মূল প্রবেশ পথের গাড়ি বারান্দা-সহ অনুসন্ধান বিভাগের বিভিন্ন জায়গা ভেঙে পড়েছিল। ঘণ্টা খানেক ধরে বিভিন্ন অংশে খসে পড়েছিল সেই রাতে। পরের দিন দিনের আলো ফুটতে না ফুটতেই রেলের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা পৌঁছে যান বর্ধমান স্টেশনে। কয়েক দিনের মধ্যে শুরু হয় ফের মেরামতি করা। তার চার মাস যেতে না যেতেই ফের গাড়ি বারান্দার ফলস সিলিং ভেঙে পড়ায় প্রশ্ন উঠছে কাজের মান নিয়ে। ফের সেখানে শুরু হয়েছে মেরামতের কাজ। স্বভাবতই প্রশ্ন উঠছে সাধারণ মানুষের টাকায় যে কাজ হচ্ছে তার মান এত খারাপ কেন তা নিয়ে।