দ্য ওয়াল ব্যুরো : রাণু মণ্ডলকে নিয়ে চর্চা যেন থামছেই না। রানাঘাটের স্টেশন থেকে মুম্বইয়ের স্টুডিও পর্যন্ত তাঁর রূপকথার যাত্রা নিয়ে তোলপাড় হয়েছিল সারা দেশ। এর পরে আবার যাদের সহায়তায় তাঁর এই যাত্রা, তাঁদের রাণু ‘ভগবানের চাকর’ বলে সম্বোধন করায় তাঁর বিরুদ্ধে নিন্দায় সরব হন নেটিজেনদের একাংশ। তারপরেই শোনা যায়, রাণু মণ্ডলের বায়োপিক আসছে পর্দায়। এ বার ফের এক চমকে দেওয়ার মতো মন্তব্য করলেন রাণু। বললেন, বিখ্যাত বলিউড অভিনেতা ফিরোজ খান তাঁকে নিজের পরিবারের সদস্য হিসেবেই মনে করতেন।
সম্প্রতি একটি সাক্ষাৎকারে রাণু বলেন, তিনি ভালো পরিবারের মেয়ে। কিন্তু মাত্র ছ'মাস বয়সে বাবা-মায়ের থেকে দূরে চলে যান তিনি। তারপরে তাঁর বিয়ের পরেও বেশ কিছুদিন তিনি মুম্বইয়ে ছিলেন বলেই জানিয়েছেন রাতারাতি সেনসেশন হয়ে যাওয়া রাণু। সেখানে নাকি বলিউডের বিখ্যাত অভিনেতা ফিরোজ খানের বাড়িতে রান্না করতেন তাঁর স্বামী। তিনিও সেখানেই থাকতেন। তাঁদের নিজের পরিবারের সদস্য বলেই মনে করতেন ফিরোজ খান, এমনটাই দাবি করেছেন তিনি।
রানাঘাট স্টেশনে রাণু মণ্ডলের গান গাওয়ার ভিডিয়ো সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশ করেন অতীন্দ্র চক্রবর্তী নামের এক যুবক। তারপরেই তা ভাইরাল হয়ে যায়। রাতারাতি সোশ্যাল মিডিয়া সেনসেশন হয়ে ওঠেন রাণু। তাঁর গাওয়া ‘এক পেয়ার কা নাগমা হ্যায়’ গানটি ভাইরাল হয়ে যাওয়ার পরেই কপাল খুলে যায় তাঁর। ডাক পান বিভিন্ন অনুষ্ঠানে। তারই একটি হল জনপ্রিয় রিয়্যালিটি শো ‘সুপারস্টার সিঙ্গার’। সেখানেই রাণুকে দিয়ে প্লে-ব্যাক করানোর প্রতিশ্রুতি দেন হিমেশ। অতীন্দ্রর সঙ্গেই মুম্বই গিয়ে হিমাশের পরিচালনায় ‘তেরি মেরি কাহানি’ গানটি রেকর্ড করে এসেছেন রাণু। তারপরেই শোনা যায় রাণু মণ্ডলকে নিয়ে একটি বায়োপিক বানাচ্ছেন পরিচালক হৃষিকেশ মণ্ডল।
অবশ্য এর মধ্যে বিতর্কও সঙ্গি হয় রাণুর। সম্প্রতি একটি সাক্ষাৎকারে রাণুকে প্রশ্ন করা হয়, এই যে অতীন্দ্রের মতো মানুষের দৌলতে তিনি এত জায়গায় যাচ্ছেন, এ নিয়ে তিনি কী বলবেন? এতেই সঙ্গে সঙ্গে রাণু বলে ওঠেন, “ভগবানের দৌলতে যাচ্ছি। ওরা ভগবানের সারভেন্ট, চাকর। আমি ওদের সাহায্যে যাচ্ছি না। ভগবানের সাহায্যে যাচ্ছি। ওরা ভগবানের চাকর হয়ে যাচ্ছে।” তারপরে এ বার ফিরোজ খানকে এই মন্তব্য করলেন তিনি।