
শেষ আপডেট: 22 April 2020 15:53
অধীরবাবু বলেন, “রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী আমাকে জানিয়েছেন কোটায় আটকে পড়া ছাত্রছাত্রীদের ব্যাপারে তিনি উপযাচক হয়ে বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেছিলেন। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী ছাত্রছাত্রীদের ফেরানোর ব্যাপারে স্পষ্ট ভাবে ইচ্ছাপ্রকাশ করেননি। উল্টে মুখ্যমন্ত্রীর দফতর থেকে রাজস্থান সরকারকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে তারা ছাত্রছাত্রীদের ফেরানোর সিদ্ধান্ত নেয়নি।” লোকসভায় কংগ্রেস নেতা আরও বলেন, “অশোকজিকে আমি অনুরোধ করেছি, আপন কি আপনাদের খরচে ছাত্রছাত্রীদের বাংলার সীমান্ত পর্যন্ত পৌঁছে দিতে পারবেন? জবাবে রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, যদি বাংলার মুখ্যমন্ত্রী কথা দেন যে ছাত্রছাত্রীদের বাংলার সীমান্ত থেকে নিয়ে তাদের বাড়ি বাড়ি পৌঁছে দেবেন তা হলে আমি তা করতেই পারি।”
https://twitter.com/adhirrcinc/status/1252959528208883712
লোকসভায় কংগ্রেস নেতার বক্তব্য, এর আগেও তিনি পরিযায়ী শ্রমিকদের ফেরানোর ব্যাপারে সাহায্যের জন্য পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি লিখেছিলেন। কিন্তু কোনও জবাব পাননি। তাই এদিন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্দেশে একটি খোলা চিঠি লিখেছেন তিনি। অধীরবাবুর ওই চিঠির জবাব মুখ্যমন্ত্রীর সচিবালয়ের তরফে দেওয়া হয়নি। কোনওরকম জবাব রাজ্য সরকার দিলে তা এই প্রতিবেদনে আপডেট করা হবে।
https://twitter.com/adhirrcinc/status/1252960342251933697
প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার নবান্নে সাংবাদিক বৈঠক করে রাজ্যের মুখ্য সচিব রাজীব সিনহা বলেছিলেন, "যে সাড়ে তিন হাজার-চার হাজার বাংলার ছাত্রছাত্রী রাজস্থানের কোটায় আটকে পড়েছেন, তাঁদের ফিরিয়ে আনা সম্ভব নয়। এটা বিশাল বড় একটা কাজ। অনেক জটিলতা রয়েছে। এতটা রাস্তা এতজনকে আনা সম্ভব নয়। আমরা অনুরোধ করব, এতদিন কষ্ট করেছেন। আর ক'টা দিন কষ্ট করুন।" তিনি আরও জানিয়েছিলেন, "ওই ছাত্রছাত্রীদের আনতে অন্তত ৩০০ বাস প্রয়োজন। এতটা রাস্তা সেই বাসগুলি যাবে এবং আসবে সেটা সম্ভব নয়। রাজস্থান থেকে বাংলায় ফিরতে কয়েকটা রাত হল্ট করাতে হবে। সেটাও এই পরিস্থিতিতে অসম্ভব। রাজীব সিনহা এও জানান, "অনেকগুলি রাজ্য পেরিয়ে তাঁদের আনতে হবে। সব রাজ্য অনুমতি দিচ্ছে না। যেমন বিহার স্পষ্ট বলে দিয়েছে তারা তাদের রাজ্য দিয়ে আসার অনুমতি দেবে না”।
এখন দেখার রাজস্থান সরকারের প্রস্তাবের পর নবান্ন কী সিদ্ধান্ত নেয়।