দ্য ওয়াল ব্যুরো: সবেমাত্র পালাবদল হয়েছে বাংলায়। ২০১১ সাল। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, সিগনালে সিগনালে রবীন্দ্র সঙ্গীতে বাজানো হবে। ‘বদলা নয়, বদল চাই।’
পরে তা আর রবীন্দ্রসঙ্গীতে আটকে থাকেনি। সেফ ড্রাইভ-সেভ লাইভ, কন্যাশ্রীও ঢুকে গিয়েছে তাতে।
এবার একুশের ভোটের আগেবাংলা সংস্কৃতির মূল্যবোধ নিয়ে যখন জোত চর্চা চলছে তখন দেখা গেল পূর্ব রেল সিদ্ধান্ত নিয়েছে, লোকাল ট্রেনের কামরায় কামরায় রবীন্দ্র সঙ্গীত বাজানো হবে। উদ্দেশ্য একটাই। যাত্রীদের মনোরঞ্জন। হাওড়া থেকে কেউ যদি বর্ধমান যান, প্রায় আড়াই ঘণ্টা সময় লাগে। যদি সিটে বসেই কানে ভেসে আসে, রবীন্দ্র সঙ্গীত তা হলে মন্দ কী!
পূর্ব রেলের ডিআরএম সঞ্জয় কুমার সাহা বলেছেন, যাত্রীদের একঘেয়েমি কাটাতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ফেব্রুয়ারির গোড়া থেকেই পূর্ব রেলের সমস্ত ট্রেনের অ্যানাউন্সিং সিস্টেমে বাজানো হবে রবীন্দ্রসঙ্গীত।
কোভিডের কারণে গত বছর মার্চ মাসের ২৩ তারিখ থেকে বন্ধ হয়ে গিয়েছিল রেল। স্পেশাল কিছু দূরপাল্লার ট্রেন চললেও লোকাল ট্রেন চলেনি। পুজোর আগে থেকেই লোকাল ট্রেন চালানোর দাবিতে আওয়াজ উঠছিল। কিন্তু পুজো মিটতেই একের পর এক জায়গায় বিক্ষোভ শুরু হয়। তারপর রাজ্য সরকারের সঙ্গে কয়েক দফা বৈঠকের পর ৯ নভেম্বর থেকে লোকাল ট্রেনের যাত্রা শুরু হয়। প্রথম কয়েক দিন অল্প সংখ্যক ট্রেন চললেও, পরে সমস্ত ট্রেন চালি হয় যায়। এবার সেই লোকালেই সুরেলা ভোকালে বাজবে রবীন্দ্র সঙ্গীত।
এ নিয়ে তৃণমূলের তরফে টিপ্পনি কেটে বলা হয়েছে, ভোটের আগে দিদিকে নকল করে বাঙালির মন পেতে চাইছে তৃণমূল। কিন্তু তাতে বিশেষ লাভ হবে না।