দ্য ওয়াল ব্যুরো: হলদিয়ার দুর্গাচকে এক হাতুড়ের করোনাভাইরাসের সংক্রমণ নিশ্চিত হওয়ার পরে শঙ্কিত এলাকার লোকজন। তাঁর একটি ওষুধের দোকান থাকায় বহু লোক ওই ব্যক্তির সংস্পর্শে এসে থাকতে পারেন। ইতিমধ্যেই তাঁর পরিবারের অন্য সব সদস্যকে হোম কোয়ারান্টাইনে রাখা হয়েছে হলদিয়া পুরসভার উদ্যোগে।
ওই হাতুড়ে কিছুদিন আগে কলকাতায় গিয়ে একটি হাসপাতালে ভর্তি হন অপারেশনের জন্য। ৩১ মার্চ তাঁর শরীরে নভেল করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার উপসর্গ দেখা যায়। বুধবার তাঁর নমুনা পরীক্ষার রিপোর্ট এলে দেখা যায় যে তাঁর করোনা পজিটিভ। খবর পাঠানো হয় পূর্ব মেদিনীপুরের হলদিয়ায়।
খবর পাওয়ার পরেই সতর্কতামূলক পদক্ষেপ করে হলদিয়া পুর প্রশাসন। ওই হাতুড়ের পরিবারের সাত সদস্যকে হলদিয়া পুরসভার বালাজি হাউসে হোম কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়। নভেল করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ওই ব্যক্তির সংস্পর্শে আর কারা এসেছিলেন প্রশাসন তাঁদের খুঁজতে শুরু করেছে।
ওই ব্যক্তি হাতুড়ে হওয়ায় এবং তাঁর ওষুধের দোকান থাকায় এলাকার লোকজন এখন শঙ্কিত। তাঁরা এখন ভাবছেন যে ওই ব্যক্তির সংস্পর্শে কারা এসেছেন।
কাঁথিতে আরও এক গর্ভবতী মহিলাকে নভেল করোনাভাইরাসের উপসর্গ নিয়ে কাঁথি মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ওই গৃহবধূর বয়স বত্রিশ বছর। তাঁর বাড়ি মারিশদা থানা এলাকার ভাজাচাউলিতে। তাঁর স্বামী কর্মসূত্রে দক্ষিণ ভারতের কেরলে থাকেন। সেই সুবাদে তিনও ওখানেই ছিলেন। কিছুদিন আগে তিনি বাড়িতে ফিরেছেন। তার লালারস সংগ্রহ করা হয়েছে। তা পরীক্ষা করার জন্য পাঠানো হয়েছে।
দেশের মধ্যে মহারাষ্ট্র ও কেরলে এখনও পর্যন্ত করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।