Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
'বন্ধু' মোদীকে ফোন ট্রাম্পের! ৪০ মিনিট ধরে হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী আলোচনা হল?লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীরগরমে মেজাজ হারালেন কর্মীরা! চুঁচুড়ায় নিজের দলের লোকেদেরই বিক্ষোভের মুখে দেবাংশুবার্নল-বোরোলিন বিতর্ক, ‘লুম্পেনদের’ হুঁশিয়ারি দিয়ে বিপাকে ডিইও, কমিশনকে কড়া চিঠি ডেরেক ও’ব্রায়েনেরভাঁড়ে মা ভবানী! ঘটা করে বৈঠক ডেকে সেরেনা হোটেলের বিলই মেটাতে পারল না 'শান্তি দূত' পাকিস্তান

গাছতলায় ক্লাস, রোদ্দুর-বৃষ্টি সবেতেই ছুটি পুরুলিয়ার এই প্রাথমিক স্কুল

দ্য ওয়াল ব্যুরো: ঘর নেই তাই গাছের নীচেই ক্লাস বসে পুরুলিয়ার গোলামারা সচ্চিদানন্দ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের। গরমে যখন রোদ্দুর আর সহ্য করা যায় না, তখন স্কুল ছুটি আর বর্ষা হলে তো কথাই নেই। গাছের শুকনো ডাল ভেঙে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে সর্বক্ষণ। তাই স্কু

গাছতলায় ক্লাস, রোদ্দুর-বৃষ্টি সবেতেই ছুটি পুরুলিয়ার এই প্রাথমিক স্কুল

শেষ আপডেট: 19 February 2020 12:23

দ্য ওয়াল ব্যুরো: ঘর নেই তাই গাছের নীচেই ক্লাস বসে পুরুলিয়ার গোলামারা সচ্চিদানন্দ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের। গরমে যখন রোদ্দুর আর সহ্য করা যায় না, তখন স্কুল ছুটি আর বর্ষা হলে তো কথাই নেই। গাছের শুকনো ডাল ভেঙে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে সর্বক্ষণ। তাই স্কুলে পাঠালেও সর্বক্ষণ চিন্তায় থাকেন অভিভাবকরা। এই স্কুলে ১৩৯ জন ছাত্রছাত্রীর জন্য চার জন শিক্ষকশিক্ষিকা আছেন, অভিযোগ কোনও দিনই একসঙ্গে চারজনকে দেখা যায় না। গোলামারা গ্রামের বাসিন্দা প্রভাত গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, “স্কুলে কোনও দিনই চারজন শিক্ষকশিক্ষিকাকে দেখতে পাই না। আমাদের মনে হয় ওঁরা নিজেদের মধ্যে ঠিক করে নেন কে কবে আসবেন। একথা আমরা কাছের হাইস্কুলে জানিয়েছি, কিন্তু কোনও লাভ হয়নি।” যদিও এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন স্কুলের ভারপ্রাপ্ত শিক্ষক নৃপেন্দ্রনাথ দাস। তিনি বলেন, “স্কুলে অনেক সময়ই পরিদর্শক এসেছেন, দেখেছেন। আমাদের স্কুলে শিক্ষকরা নিয়মিত আসেন।” [caption id="attachment_187755" align="aligncenter" width="619"] বারান্দা ভেঙে যাওয়ায় এভাবেই চলছে ক্লাস[/caption] ২০০৩ সাল থেকে এই স্কুলে শিক্ষকতা করছেন নৃপেন্দ্রনাথ দাস। তিনি যখন এই স্কুলে যোগ দিয়েছিলেন তখন দুটি ক্লাস হল বারান্দায় ও বাকি দুটি ক্লাস হল মাঠে। এখন চারটি ক্লাসই মাঠে হয়, কারণ স্কুলের বারান্দা এখন ভগ্নপ্রায়। গোলামারা সচ্চিদানন্দ প্রাথমিক বিদ্যালয়টি পুরুলিয়া শহর থেকে ১৬-১৭ কিলোমিটার দূরে পুরুলিয়া ২ নম্বর ব্লকে। ১৯৬১ সালে এই স্কুল প্রতিষ্ঠা করা হয় তবে তখনও স্কুলের কোনও নিজস্ব ভবন বলতে যা বোঝায় সেটি কোনও দিনই ছিল না। ছাদ ভেঙে গেছে বহু বছর আগে। একমাত্র ঘরে ডাঁই করে রাখা আছে বেঞ্চ, ডেস্ক, মিড-ডে মিলের সরঞ্জাম। [caption id="attachment_187757" align="aligncenter" width="582"] গুদামের মতো অবস্থা একমাত্র ঘরের[/caption] রোদ-জল না থাকলেও যে খুব সুষ্ঠু ভাবে ক্লাস চলে তাও নয়। যাঁদের জমিতে এই স্কুল চলে তাঁরা আর চাইছেন না এখানে স্কুল চলুক। নৃপেন্দ্রনাথ দাস বলেন, “যাঁর জমিতে এই স্কুল তিনি ভবনটি সারাতে দেন না। ১০০ দিনের কাজে কেউ স্কুল ঝাড়ু দিয়ে পরিষ্কার করতে এলেও বাধা দেন।” যাঁদের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ তাঁর সঙ্গে কথা বলা সম্ভব হয়নি। অভিযোগ, চারদিক খোলা স্কুলে অনেক সময়ই মদের বোতল পড়ে থাকতে দেখা যায়। শিক্ষকদের দাবি, তাঁরা বহু বার উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে সমস্যার কথা জানিয়েছেন কিন্তু কোনও লাভ হয়নি। বিডিও অবশ্য নতুন ভবন তৈরির আশ্বাস দিয়েছেন। পুরুলিয়া ২ নম্বর ব্লকের বিডিও বিজয় গিরি বলেছেন, “স্কুলটি একটি বেসরকারি জমিতে তৈরি। তাই ওই জায়গায় কেউ ভবন করতে দিচ্ছেন না। আমরা কাছাকাছি একটি খাস জমি পেয়েছি। সেখানে স্কুলভবন গড়ার প্রস্তাব আমরা পাঠিয়েছি। টাকা এলেসই আমরা ভবন গড়ে দেব।” গৌতম দেঘরিয়া নামে এক অভিভাবক বলেন, স্কুলের এই অবস্থা, পাশে রাস্তা, কুয়ো এসব রয়েছে। গাছ থেকে ডাল পড়ে শিশুরা আহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। আমরা চাই একটা ক্লাসঘর হোক, স্কুলে জলের উপযুক্ত ব্যবস্থা হোক।” সমস্যার কথা জানেন সবাই, সমস্যা যে রয়েছে সেকথা অস্বীকার না করে মেনেও নিচ্ছেন সকলে। প্রশ্ন হল ১৯৬১ সাল থেকে চলে আসা স্কুলটিতে এখনও কেন কোনও ভবন তৈরি হল না। খাস জমি চিহ্নিত করে আগেও তো ভবন তৈরি করা যেত।

```